Home » ডাকঘরে লাগাতার-চুরির কিনারা করল বারাসাতের পুলিশ

ডাকঘরে লাগাতার-চুরির কিনারা করল বারাসাতের পুলিশ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৫ মে :সিসিটিভি আছে তো কি হয়েছে! সিসিটিভির পরোয়া না করেই ডাকঘরে চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছিল। শুরুতে অভিনব মনে হলেও,  উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পুলিশ জেলার বিভিন্ন ডাকঘরে হয়ে চলেছিল একের পর এক চুরি ও চুরির চেষ্টা। পুলিশ কয়েকদিন ধরেই ওঁৎ পেতে ছিল।  অবশেষে বারাসাত জেলা পুলিশ বাহিনী সাফল্য পেল এই কৌশলী চোরদের পাকড়াও করতে। ডাকঘরে লাগাতার-চুরির কিনারা হল অবশেষে।

এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখ মধ্যরাতে বনগাঁ পোস্ট অফিসে হানা দিয়েছিল চোরের দল। সকালে নজরে পড়ে ডাকঘর লন্ডভন্ড। নথিপত্র ছড়িয়ে ছিল, চোরদের লক্ষ্য ছিল ডাকঘরে জমা থাকা টাকা লুঠ করা। পুলিশ আসে, শুরু হয় তদন্ত।শুধুমাত্র বনগাঁর ডাকঘরে চোরেদের গতিবিধি সীমাবদ্ধ ছিল না। উত্তর চব্বিশ পরগনার সীমান্ত শহর বনগাঁ ছাড়িয়ে হাবড়াতেও তারা ডাকঘর লুঠ করার জন্য চেষ্টা চালায়। বনগাঁ ছাড়াও বারাসাত পুলিশ জেলার অন্তর্গত হাবড়া, দত্তপুকুর, অশোকনগরে এরকম চুরি বা চুরির প্রচেষ্টার অভিযোগ জমা পড়ে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই চোরেদের মোডাস অপারেন্ডি বা কাজের ধরণ ছিল সাদৃশ্যযুক্ত। পুলিশের টনক নড়তেই পুলিশ আদাজল খেয়ে নেমে পড়ে। বারাসাত জেলা পুলিশের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠিত হয় ডাকঘরের চোরদের ধরতে।

অবশেষে শনিবার পুলিশ সাফল্য পায়। বারাসাত জেলা পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, ব্যারাকপুর এলাকা থেকে পুলিশ পাকড়াও করে ৩১ বছর বয়সী মিন্টু মজুমদার ও ৪৫ বছর বয়সী দুলাল মন্ডলকে। জানা গিয়েছে, এই দুই ডাকঘরে চুরির গুণধরের হাবড়া এলাকায় একাধিক চুরিতে সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তবে দিন দশেকের মধ্যেই ডাকঘরে লাগাতার-চুরির কিনারা করে পুলিশ ডাকঘরের গ্রাহকদের অন্তত স্বস্তি দিয়েছে। চুরির খবর পেলে পুলিশের পাশাপাশি গ্রাহকদেরও ছুটতে হচ্ছিল পোস্ট- অফিসে তাঁদের নথি ও টাকাপয়সা অক্ষত আছে কিনা জানার জন্য। এই তস্কর চক্রের সঙ্গে ধৃত দুজন ছাড়া আর কারা জড়িয়ে আছে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ মনে করছে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় ডাকঘরে চুরির জড় সমূলে উৎপাটন করার প্রক্রিয়া মোটের উপরে সম্পন্ন।।

আরও পড়ুন ১৭ রোগীর হত্যাকারী নার্সের ৭৬০-বছরের জেল

About Post Author