Home » Supreme Court: ১৪ বছরের ধর্ষিতা কিশোরীর গর্ভপাতের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

Supreme Court: ১৪ বছরের ধর্ষিতা কিশোরীর গর্ভপাতের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ মেঃ  ‘ভ্রূণের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।’  ২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। গত ৩ মে দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর গর্ভপাতের আর্জি ফিরিয়ে দেয়। এরপরই তিনি দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন।  এদিন সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘আমরা আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনভাবেই গর্ভপাতের অনুমতি দিতে পারি ন। কেননা গর্ভের ভ্রূণের বয়স প্রায় সাত মাস।’ কিশোরী যাতে সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারে সেজন্য চিকিৎসকদের ও অন্তঃসত্ত্বার মাকে তার প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার কথা বলেছেন শীর্ষ আদালত।
ইতিমধ্যেই হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ১৪ বছরের ওই কিশোরীর যদি এখন গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে প্রিম্যাচিওর শিশুর জন্ম হবে। এমনকী গর্ভপাত করানো হলে কিশোরী মা ও তার সদ্যোজাতের ক্ষেত্রে খুবই আশঙ্কাজনক। উল্লেখ্য, এর আগে ওই কিশোরীর ২৮ সপ্তাহের গর্ভধারণ বন্ধের অনুমতির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেয় বম্বে হাইকোর্ট। এরপরই বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ১৪ বছরের ওই নাবালিকার মা। গত সোমবার ছিল সেই আবেদনের শুনানি। শুনানিতেই তিরিশ সপ্তাহে গর্ভাবস্থার চিকিৎসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল বম্বে হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছিল, গর্ভপাতের যাবতীয় খরচ বহন করবে মহারাষ্ট্র সরকার। যদিও ভারতীয় আইনে সর্বাধিক ২০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা অবধি গর্ভপাত করা যায়। সেক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ ১৪ বছরের ওই কিশোরীকে গর্ভপাতের অনুমতি দেয়। ১৪ বছরের নির্যাতিতা কিশোরীর ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা চলছে। সিওন হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি বিশেষ টিমের অধীনে এই গর্ভপাত করানো হবে বলেই জানানো হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সুরক্ষিতভাবে কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ও গর্ভপাত করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বেঞ্চ জানিয়েছিল যে হাসপাতাল নিশ্চিত করবে নাবালিকাটিকে নিরাপদে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ‘এই অবস্থায় গর্ভপাত করানোয় কিছু ঝুঁকি থাকলেও, মেডিক্যাল বোর্ড মনে করেছে এই ঝুঁকির তুলনায় গর্ভাবস্থা পূরণ করে প্রসব করা আরও বেশি ঝুঁকির।’
#SupremeCourt
#সুপ্রিমকোর্ট
#14-year-oldrapedgirl’s

About Post Author