Home » কোচবিহারকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে হবে,জিসিএলও-র সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের ভিডিও বার্তা

কোচবিহারকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে হবে,জিসিএলও-র সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের ভিডিও বার্তা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ জুলাই :যতক্ষণ না কোচবিহারকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল না ঘোষণা করা হয়, কোচবিহার কে  স্বায়ত্তশাসন না দেওয়া হয় ততদিন পর্যন্ত চলবে সশস্ত্র বিপ্লব।হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী জঙ্গি আন্দোলনের শপথ।রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনে আবার বার্তা বৃহত্তর কোচবিহার লিবারেশন অর্গানাইজেশন (জিসিএলও)। সংবাদ মাধ্যমের কাছে কাছে ভিডিও বার্তাটি বেশ কয়েকদিন আগেই প্রকাশ পেয়েছে । অন্তত চারদিন আগে তারা কোচবিহারকে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করার দাবি তুলেছে।

গ্রেটার কোচবিহার লিবারেশন অর্গানাইজেশন (GCLO) ভারত সরকারের বিরুদ্ধে জঙ্গি ও নাশকতামূলক আন্দোলনের যে ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছে সেখানে সংগঠনের সদস্যদের মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা।ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে নি সময় কলকাতা।

গ্রেটার কোচবিহার লিবারেশন অর্গানাইজেশন (GCLO) সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে মাথাচাড়া দিয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভারত সরকারকে হুমকিতে সুস্পষ্ট। জঙ্গি দলটি, কোচবিহারের জন্য একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন এবং কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (কেএলও) সাথে শান্তি আলোচনা শুরু করার দাবি জানিয়েছে।

বিচ্ছিন্নতবাদের কথা বলে  জিসিএলও সতর্ক করেছে যে তারা হিংসার পথ অবলম্বন করতে প্রস্তুত, ঘোষণা করেছে, “যদি এটি হাতে অস্ত্র বহন করে এবং রক্ত ​​দেয়,” তখনই সংগঠনটি তার উদ্দেশ্যর সফলতা লাভ হবে। উল্লেখ্য, সংগঠনটি অন্তত দেড় বছর আগে থেকে বেড়ে উঠছিল। সেসময় গ্রুপটি শান্তি আলোচনা শুরু না হলে অস্ত্র তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল।

ভিডিওতে বক্তব্যে গ্রেটার কোচবিহার লিবারেশন অর্গানাইজেশন (GCLO) রক্ত দিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের হুমকি দিয়েছে। জিসিএলও কেএলও-এর সঙ্গে শান্তি আলোচনা না হলে , ভারত সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়ে চরম নাশকতমূলক কর্মকাণ্ডের হুমকি দিয়েছে। জানানো হয়েছে,সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনা না শুরু করায় জিসিএলও অস্ত্র হাতে নিয়েছে । অন্যদিকে,পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহার থেকে  একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী জিসিএলও (GCLO)-তে যোগদান করেছে । তারা সরকারকে কেএলও KLO -র সাথে শান্তি আলোচনার দাবি জানিয়েছে।ভারত সরকার সশস্ত্র গোষ্ঠী জিসিএলও-র দাবি মানবে কি না সেটাই দেখার বিষয়।

About Post Author