সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ জুলাই :কবিগুরু বলেছিলেন “দাও ফিরে সে অরণ্য লও এ নগর “কিন্তু বাস্তবে তা আর হয়তো সম্ভব নয়। বর্তমান সভ্যতার সর্বগ্রাসী ক্ষিদে ও প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রয়োজন প্রকৃতিকে রক্ষা করা। আর সেজন্য প্রয়োজন সচেতনতা।বিশ্ব পৃথিবীর কান্না শ্রবণের কান সকলের থাকে না। সেই কান যাদের আছে তাঁরা সেই সচেতনতা ছড়িয়ে দেন বিশ্বের কোনায় -কোনায় । কচিকাঁচাদের থেকে এই সচেতনতার উন্মেষ ও বিকাশ ঘটা যে প্রয়োজন, তা উপলব্ধি করেছেন দমদম অক্সিলিয়াম কনভেন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ।তাঁরা অনুভব করেছেন,মানুষকে বাঁচতে হলে বাঁচাতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। আর সেজন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে পৃথিবীকে রক্ষা করতে। তাই তাঁরা কয়েকশো পড়ুয়াকে নিয়ে শুরু করেছেন তাঁদের প্রকৃতি বাঁচানোর আন্দোলন।
কেটে গিয়েছে মাসাধিক কাল। ৫ জুন ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। কিন্তু পরিবেশ দিবস একটি দিনে পালিত হলেও পরিবেশ রক্ষার কর্মকাণ্ড একটি দিনে
সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। বছর ভর চলে পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচী। আর সেই পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচীতে সামিল অক্সিলিয়াম কনভেন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ, টিচার্স ও পড়ুয়ারা। আগামী প্রজন্মের জন্য পৃথিবীতে সুন্দর করে তুলতে হবে সেই পাঠ স্কুলের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি স্কুলের টিচিং স্টাফেরা। জুলাই মাসের দ্বিতীয় পক্ষেও তাই পড়ুয়াদের নিয়ে পথে নামলেন তাঁরা।

কী আছে প্রকৃতি ও পৃথিবীর রক্ষার কর্মসূচিতে?প্লাস্টিক বর্জন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজ বাঁচানো থেকে আরম্ভ করে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করায় নজর অক্সিলিয়াম কনভেন্ট স্কুল কতৃপক্ষর। পরিবেশকে স্বাস্থ্য-উপযোগী করে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য। স্কুল কর্তৃপক্ষর তালিমে প্রতিটি পড়ুয়া যেন পরিবেশরক্ষার ধারক ও বাহক। লক্ষ্য, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্ত যেন হেসে ওঠে মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির নিবিড় বন্ধনে।।
আরও পড়ুন নিপা ভাইরাসের হানা কেরালায়, আক্রান্ত ১৪ বছর বয়সী কিশোর


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?