সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ অগাস্ট : হেরেই চলেছে ইস্টবেঙ্গল। এএফসি কাপে বিদেশী দল হোক আর দেশী আইলিগের দল হোক ইস্টবেঙ্গলের হারের পরম্পরা অব্যহত। মোহনবাগানের সঙ্গে খেলা বাতিল হওয়ার সৌভাগ্যে ফাঁকতালে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার ছাড়পত্র পেয়ে গেলেও কোয়ার্টার ফাইনালে পাহাড়ে যেতেই প্রত্যাশার ফানুস ফেটে চুরমার। ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্স নিয়ে ছেলেখেলা করে শিলং লাজং ২-১ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গলকে। লালহলুদকে ছিটকে যোগ্যদল হিসেবেই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল শিলং লাজং। সেমিফাইনালে শিলং লাজং আর আরও একটি মরশুম ব্যর্থতা দিয়েই শুরু করল ইস্টবেঙ্গল।

বৃষ্টিভেজা মাঠে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্স লাইনের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল ম্যাচে পাহাড়ি ছেলেরা আনকোরা না হলে এবং ভাগ্যের সহায়তা পেলে পাঁচ গোল করতে পারত। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নুঙ্গার। দুই সাইড ব্যাকও তথৈবচ। আনোয়ার এবং ইউস্তে না এলে ইস্টবেঙ্গল আগামী দিনেও আরও গোল খাবে। ইউস্তে অবশ্য এদিন ম্যাচের শেষদিকে নেমেছিলেন। প্রথমার্ধে ৮ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। ৭৭ মিনিটে নন্দা সমতা ফেরালেও ৮৩ মিনিটে আবার গোল খায় লাল হলুদ। এছাড়াও কোনবার বারপোষ্ট কোনও সময় ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে না পারায় ব্যবধান বাড়ে নি। ২০০৪ সালের পর থেকে ২০ বছর অধরা ডুরান্ড। কারলেস কুয়াদ্রেত যেমন চেয়েছেন তেমন টিম এবার হাতে তুলে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। এবারও শূন্য হাতেই ফিরতে হচ্ছে কুয়াদ্রাতকে। কুয়াদ্রাতের ইস্টবেঙ্গল এর চেয়ে বিনো জর্জের ইস্টবেঙ্গল কে বেশি শক্তিশালী মনে হচ্ছে। বোঝাপড়াহীন আনফিট লালহলুদ হেরেই চলেছে আর বাড়িয়ে চলেছে সমর্থকদের হতাশা।
আরও পড়ুন প্রতিবাদ আন্দোলন :” চামড়া গুটিয়ে” দেওয়ার প্রধান শিক্ষকের ধমকের পরেও ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তায়


More Stories
বিরল রোগে মরণাপন্ন আফগান পেসার দিল্লির
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
বারাসাত বিজেপিতে ভাঙন, দল ছাড়লেন তাপস মিত্র