সময় কলকাতা, ২২ আগস্ট : সিবিআইয়ের পর্যবেক্ষণ ইঙ্গিত করছে, আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডে তরুণী চিকিৎসকের “গণধর্ষণ হয়নি”। একমাত্র ধৃত ও প্রধান অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় ধর্ষণকাণ্ডে জড়িত। একাধিক সংবাদ মাধ্যম বিশেষ সূত্রে সিবিআই তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে।(উল্লেখ্য, সংবাদ মাধ্যম প্রাপ্ত সূত্র অনুযায়ী এই পর্যবেক্ষণকে চূড়ান্ত বলে গণ্য করার এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।)
উল্লেখযোগ্য আপডেট ও বিশেষ সূত্রে মারফত সিবিআই পর্যবেক্ষণের সারাংশ :
এখনও পর্যন্ত সিবিআই তদন্তে চিকিৎসক খুনের সঙ্গে একজনের জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
ফরেনসিক ও ডিএনএ রিপোর্টে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে।
সঞ্জয় রায় নামের একজন নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক,(সিভিক ভলান্টিয়ার) চিকিৎসকের দেহ পাওয়ার একদিন পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
৩১ বছর বয়সী কলকাতার প্রশিক্ষণার্থী ডাক্তারের হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত CBI-এর দ্বারা পরিচালিত তদন্ত ইঙ্গিত দিয়েছে যে তাকে গণধর্ষণ করা হয়নি( সৌজন্য ইন্ডিয়া টুডে ও বিজনেস টুডে )।
তদন্তে দেখা গিয়েছে যে সঞ্জয় রায়, একজন নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক যিনি ৯ আগস্ট সরকার পরিচালিত আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জঘন্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তিনিই একমাত্র জড়িত ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে ঘটনার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮ তারিখ পর্যন্ত সময় চাইলেও তার কয়েকদিন আগেইc(১৩ আগস্ট ) সিবিআই-এর হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিকভাবে দোষী বা দোষীদের মৃত্যুদণ্ডর দাবি ওঠে। অবশেষে ২২শে আগস্ট বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সিবিআই-এর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ও সামনে এসেছে যেখানে গণধর্ষণের কোনও ইঙ্গিত নেই। তবে বিশেষ সূত্র মারফত সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত বলে গ্রহনীয় নয়।
আরও পড়ুন ৩০ বছরে এরকম ঘটনা দেখি নি, ফৌজদারি বিধি মানা হয় নি -জানালেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি


More Stories
চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা সরকারের
অভয়া কাণ্ডের তদন্তের আওতায় আসতে পারেন মমতা
আরজিকরের তরুণ চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু, নেপথ্যে কোন রহস্য ?