Home » আরজিকর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের

আরজিকর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ আগস্টঃ আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। তরুণী চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। আরজিকর কাণ্ডে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার ধৃত সঞ্জয় রায়কে শুক্রবার সকালেই আদালতে পেশ করে সিবিআই। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রট এসিজেএম আদালতে। এদিন দুপুরেই তাঁকে সেখানে হাজির করানো হয়। সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। রাস্তায় ছিল কলকাতা পুলিশ। পুলিশের গাড়ি যখন আদালত চত্বরে ঢুকছে, তখন উপস্থিত জনতা ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেয়। এদিন সিবিআই ফের তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল। এরপরই শিয়ালদহ আদালতের পক্ষ থেকে সঞ্জয় রায়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন   Anwar Ali: আনোয়ার নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলেই রইল

অন্যদিকে, আরজিকর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের আজ পলিগ্রাফ টেস্ট হওয়ার কথা ছিল। সূত্রের খবর, আইনি প্রক্রিয়া মিটে গেলে সঞ্জয়কে নিউটাউনের ফরেনসিক (Forensic) পরীক্ষাগারে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। সেখানেই তার পলিগ্রাফ টেস্ট হবে বলেই জানা গিয়েছে। সেইসঙ্গে বৃহস্পতিবারই নির্যাতিতার চার সহকর্মী, আরজিকরের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করেছে শিয়ালদহ আদালত। সূত্রের খবর, অভিশপ্ত ওই রাতে তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে রাতে তাঁর চার সহকর্মী খাওয়াদাওয়া করেছিলেন। তাঁদেরও জবানবন্দি নেওয়া হয় এদিন। তারপরেই সিবিআইয়ের তরফে ওই ছয়জনের পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানানো হলে তা মঞ্জুর করে শিয়ালদহ আদালত।

উল্লেখ্য, এই পলিগ্রাফ টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায়, যে কেউ মিথ্যা বলছে কিনা। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেখে অনেকেরই অনুমান, যে অত্যাচারের কথা বলা হয়েছে এবং যেভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, তাতে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে। যদিও প্রথম থেকেই নির্যাতিতার বাবা-মা দাবি করে এসেছেন, এই ঘটনায় সঞ্জয় ছাড়াও নির্যাতিতার সহকর্মী-সহ অনেকেই জড়িত। কলকাতা পুলিশও প্রথম থেকেই সে কথা মাথায় রেখেছে। এবার সঞ্জয় রায় এবং তিলোত্তমার সহকর্মীদের এই টেস্ট করলে জানা যেতে পারে, ওই দিন ঘটনার সময়ে তারা ঠিক কী কী করেছিল, তাঁদের সঙ্গে আর কেউ ছিল কিনা এবং আরও নানান তথ্য। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কারও পলিগ্রাফ টেস্ট বা পরীক্ষার মাধ্যমে তার শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি, নাড়ির স্পন্দন তথা গতি, রক্ত চাপ, শরীর থেকে কতটা ঘাম বেরোচ্ছে ইত্যাদি দেখা হয়। কেউ মিথ্যা কথা বললে তার হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটে। তার মাধ্যমেই একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সবসময় যে ১০০ শতাংশ সঠিক ফল মেলে তা নয়, তবুও একটা ধারণা করতে পারেন তদন্তকারীরা।

#polygraphtest 

#RGkarHospital    

#RGkarPrincipalSandeepGhosh    

#RGKARDoctorDeath   

#JailcustodyofSanjayRoy 

#Latestbengalinews

About Post Author