Home » Durga Puja Grant: “১০ লক্ষ করে দিন, ৮৫ হাজারে কিচ্ছু হয় না” দুর্গার ভান্ডার নিয়ে রাজ্যকে খোঁচা কলকাতা হাইকোর্টের

Durga Puja Grant: “১০ লক্ষ করে দিন, ৮৫ হাজারে কিচ্ছু হয় না” দুর্গার ভান্ডার নিয়ে রাজ্যকে খোঁচা কলকাতা হাইকোর্টের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর: কোথা থেকে আসছে পুজোর অনুদানের টাকা? এবার এই প্রশ্নে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। গত বছর দুর্গা পুজোয় প্রতিটি পুজো কমিটিকে ৭০,০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। এই বছর অনুদানের পরিমাণ ১৫,০০০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার এই নিয়েই জনস্বার্থ মামলায় প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়েছে। সেখানে মুখমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে বিচারপতির মন্তব্য, “৮৫ হাজার টাকায় আর কী হয়? রাজ্যের পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লক্ষ টাকা দিন।” 

আরও পড়ুন: রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী! ডিভিসি-র বোর্ড এবং কমিটি থেকে ইস্তফা রাজ্যের দুই শীর্ষ আধিকারিকের

পুজোর অনুদান গতবারের তুলনায় বেড়ে এবছর দাঁড়িয়েছে ৮৫,০০০ টাকায়। জানা গিয়েছে, সৌরভ দত্ত নামে এক ব্যক্তি আগেও এই অনুদান নিয়ে মামলা করেছিলেন হাইকোর্টে। সেই মামলাতেই এবার তিনি নতুন করে আবেদন জানিয়েছেন। জনস্বার্থ মামলা করে ওই ব্যক্তি প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্য এই যে টাকাটা পুজো কমিটি গুলোকে দিচ্ছে তার উৎস কী? এবং যে টাকা পাচ্ছে কমিটি গুলো তা তাঁরা নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে পুজোর কাজে লাগাচ্ছে তো? এই প্রসঙ্গে সোমবার কলকাতা উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি বলেন, কলকাতায় যে রকম বৃহদায়তন পুজো হয় তাতে ৮৫ হাজার টাকায় প্যান্ডেল নয় একটা তাঁবু বানানো যেতে পারে। আমি বছর দুয়েক পুজোর সময় প্যান্ডেলে ঘুরে দেখেছি অনুদানের টাকা কমপক্ষে ১০ গুণ বাড়ানো হলে সেটা পুজোর কাজে লাগতে পারে।” বিচারপতির সংযোজন, “গ্রামের দিকের পুজো গুলোতে এই পরিমাণ টাকায় কিছু হলেও শহরের পুজোয় এই টাকা পর্যাপ্ত নয়। তবে দুর্গা পুজো যেহেতু বাংলার ঐতিহ্য, তাই পুজো কমিটিগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য হয়ত এই টাকা দেওয়া হয়।”

আরও পড়ুন: Enamul Haque: অনুব্রতর পর এবার জামিনে জেল মুক্তি এনামুল হকের

সোমবার এই মামলার শুনানিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উঠে এসেছে। রাজ্যে পুজোর জন্য দেওয়া হচ্ছে ৮৫,০০০ টাকা, আর দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য দেওয়া হয় মাত্র ১,০০০ টাকা। যে টাকায় রোগ নিরাময় দুরস্ত মাসিক ওষুধ আসে না। কার্যত আদালত রোগাক্রান্ত শিশুদের জন্য অনুদানের পরিমাণ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। একই সঙ্গে আদালত থেকে চুক্তি ভিত্তিক কর্মীদের অপসারণ করায় আদালতের কাজে অসুবিধার ব্যাপারেও রাজ্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন প্রধান বিচারপতি।

About Post Author