Home » Supreme Court: ফের পিছিয়ে গেল আরজি করের সুপ্রিম শুনানি, পরবর্তী শুনানি কবে?

Supreme Court: ফের পিছিয়ে গেল আরজি করের সুপ্রিম শুনানি, পরবর্তী শুনানি কবে?

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ সেপ্টেম্বরঃ ফের পিছিয়ে গেল আরজি করের সুপ্রিম শুনানি। আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিসৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে মামলাটি। এবার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত ছিল আগামী শুক্রবার অর্থ্যাৎ ২৭ সেপ্টেম্বর। কিন্তু ওই দিন মামলাটি শুনছে না প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ। জানা গিয়েছে, রাজ্যের তরফ থেকে দিন বদলের আর্জি জানানো হয়েছিল। যাকে মান্যতা দিয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর হবে শুনানি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই -এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে এদিন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানিয়েছেন, “আমরা ৩০ সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ পরবর্তী সোমবার মামলাটি শুনানির জন্য নথিবদ্ধ করব।”

আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দিনভর তুমুল বৃষ্টির পূর্বাভাস, কতদিন চলবে দুর্যোগ? জেনে নিন হাওয়া অফিসের বড় আপডেট

আরজি কর মামলায় শেষ শুনানি হয়েছিল ১৭ সেপ্টেম্বর। সেদিনই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত ‘স্টেটাস রিপোর্ট’ জমা দিতে বলেছিল সিবিআইকে। কেন্দ্রীয় তদন্ত বাহিনীর দেওয়া সেই‘স্টেটাস রিপোর্ট’ পড়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতিরা। তাঁদের প্রশ্নবানের মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে। শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠেছিল। রাতে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে রাজ্য সরকারের ‘বিতর্কিত’ বিজ্ঞপ্তি মুছে ফেলার আদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের চলতে থাকা কর্মবিরতি ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে চলেছিল সওয়াল-জবাব।

আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘কৃতজ্ঞতা’ জানিয়ে ১৭৫ কিমি ‘মানববন্ধনের’ ডাক তৃণমূল মহিলা সংগঠনের

প্রসঙ্গত, গত শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে জুনিয়র ডাক্তারদের হয়ে কেস লড়েছেন আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিংহ। সেদিন দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর মোট ছ’দফা নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। যার মধ্যে প্রথমেই সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছিল, উইকিপিডিয়া থেকে আরজি করে ধর্ষণ ও খুন হওয়া নির্যাতিতার নাম মুছে ফেলতে হবে। দ্বিতীয়ত, গত ১২ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে নির্যাতিতার বাবা-মা সিবিআইকে চিঠি দিয়েছে। সেই চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখে বিষয় গুলিতে দৃষ্টি আরোপ করতে হবে। তৃতীয়ত, আগামী দু’সপ্তাহের ভিতরে মেডিক্যাল কলেজগুলির শৌচাগার ও সিসিটিভি পরিষেবা ঠিক করতে হবে। চতুর্থত, মহিলা চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য স্বাস্থ্যসচিবকে একটি বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে। সেমিনার হলে কোনও মহিলা চিকিৎসক বিশ্রাম নিতে গেলে তাদের বায়োমেট্রিকের ব্যবস্থা করতে হবে। পঞ্চমত, পুলিশকে সিবিআইয়ের কাজে সহযোগিতা করতে হবে। ঘটনার দিন থেকে হাসপাতালের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। এবং ষষ্ঠত ও শেষ নির্দেশ, জুনিয়ার ডাক্তার যাঁরা আন্দোলনরত, তাঁরা বৈঠক করার পর কাজে ফিরলে ভবিষ্যতে রাজ্যের তরফ থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

About Post Author