Home » আদালতের শুনানি চলতে চলতে রগরগে অশ্লীল ভিডিও : হাইকোর্টের লাইভ স্টিমিং কেলেঙ্কারি

আদালতের শুনানি চলতে চলতে রগরগে অশ্লীল ভিডিও : হাইকোর্টের লাইভ স্টিমিং কেলেঙ্কারি

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ অক্টোবর: হাইকোর্টের লাইভ স্টিমিং কেলেঙ্কারি! আদালতের শুনানি চলতে চলতেই হঠাৎ আদালতের শুনানি থেকে নীলছবির দুনিয়ায় প্রবেশ। আদালতের ছুটি অবকাশকালীন শুনানির সরাসরি সম্প্রচারের মাঝখানেই পর্দায় ভেসে উঠল রগরগে অশ্লীল ভিডিও। হাইকোর্টের শুনানি লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আদালত থেকে অশ্লীলতার জগতে পৌঁছে যাওয়ার পেছনে কারণ খুঁজতে তোলপাড় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল, তদন্তে সাইবার ক্রাইম বিভাগ।

আরজি কর কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে শুনানির পর থেকে দেশের বিভিন্ন কোর্টে এই পন্থা চালু হয়েছে। কার্যত আদালতে সওয়াল-জবাবের সময় লাইভ স্ট্রিমিং এখন রোজকার বিষয়। জনগনের আদালতে কী প্রক্রিয়ায় বিচার থেকে শুরু করে রায়দান হচ্ছে, তার সাক্ষী থাকার অধিকার রয়েছে সকলের। এদিন হাইকোর্টের সেই সরাসরি সম্প্রচারের সময়ই কেলেঙ্কারি কাণ্ড! যে স্ক্রিনে চলছিল লাইভ স্ট্রিমটি, সেই স্ক্রিনে আদালতের দৃশ্যের বদলে হঠাৎ করে ভেসে উঠল অশ্লীল দৃশ্য। দেখে থ গোটা এজলাস। তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দিলেও, রাজ্যের উচ্চ আদালতের মত মর্যাদা সম্পন্ন জায়গায় কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্ৰশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুন: ঝগড়া থেকে হাতাহাতি, শেষে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন পৌঢ় প্রতিবেশীকে

পুজোর ছুটি এখনও শেষ হয়নি। শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে অবকাশকালীন বেঞ্চে শুনানি হচ্ছে। সোমবার তেমনই একটি শুনানি চলছিল কলকাতা হাই কোর্টের ৭ নং এজলাসে। বিচারপতি ছিলেন শুভেন্দু সামন্ত। ঠিক সেই সময় শুনানি সম্প্রচারকারী স্ক্রিনে আচমকাই ভেসে উঠল অশ্লীল ভিডিও। এজলাসে উপস্থিত সকলে চমকে ওঠেন। যদিও সঙ্গে সঙ্গে লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে ঘটল এই ঘটনা? হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকা কর্মীদের গাফিলতি? নাকি হ্যাকারদের হাতে পড়েছে হাইকোর্টের ইউটিউব চ্যানেল?

আরও পড়ুন: Pakistan Cricket: ব্যর্থতার দায় নিয়ে পাকিস্তানের কোচের পদ থেকে ইস্তফা কার্স্টেনের, পূর্ণ দায়িত্বে গিলেসপি

প্রসঙ্গত, আগের মাসেই হ্যাক হয়ে গিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল। শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালতে দেখা যায়, লাইভ স্ট্রিমিংয়ের পরিবর্তে ওই চ্যানেলে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার হচ্ছে। এবার ফের সেই ধরনের ঘটনা কলকাতার উচ্চ আদালতে। এই বিপত্তির নেপথ্যে কী কারণ তা এখনও অজানা।

About Post Author