সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ নভেম্বর: গেট কিপিংয়ের অভাবে সমাজ মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তুর রমরমা বাজার। হাতে মোবাইল আর ইন্টারনেট কানেকশন পেলেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হতে আর কোনও বাঁধা নেই। আর সমাজ মাধ্যমের এই সহজলভ্যতার আশীর্বাদ না সমাজের অভিশাপ হয়ে উঠছে বলা কঠিন। এই নিয়ে অতীতে অনেক আলোচনা, লেখালিখি হলেও সকরারি ভাবে তেমন কোনও চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ শোনা যায়নি। তবে এবার নড়ে বসেছে কেন্দ্র। সোশাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো রুখতে কড়া আইন আনার দাবি তুললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বুধবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে এই দাবি জানিয়ে অশ্বিনীর প্রস্তাব। তাঁর মন্তব্যকে সমর্থন করেন মীরাট লোকসভার সাংসদ অরুণ গোভিল, যিনি রামায়ণের রাম চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে দেশব্যাপী জনপ্রিয়।

আরও পড়ুন: বিবৃতি প্রকাশ করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করল আদানি গোষ্ঠী
এদিন নিম্নকক্ষে অশ্বিনী বৈষ্ণব সমাজ মাধ্যমে ভুয়ো ও আপত্তিকর কন্টেন্ট প্রচারিত হওয়ার বেশকিছু সমস্যাকে তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, “আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও যে সব দেশ থেকে এই সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এসেছে তার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। আমাদের আশা, বিরোধীরাও বোর্ডে যোগ দেবেন এবং আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করব। আমি চাই সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে বিষয়টি। নিয়ে আলোচনা হোক এবং এই সংক্রান্ত কড়া আইন আনা হোক।” তাঁর এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন অরুণ গোভিল। বিজেপি সাংসদ বলেন, “সোশাল মিডিয়ায় এমন অনেক কনটেন্ট দেখা যায় যা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে একেবারেই যায় না। বিভিন্ন মঞ্চে ছড়িয়ে থাকা এই ধরনের কনটেন্টের বিষয়ে নজরদারি চালানো দরকার।”
আরও পড়ুন: Indian Super League: ইন্ডিয়ান সুপার লিগে নয়া নজির ইস্ট-মোহনের!
প্রসঙ্গত, আগের মাসেও দেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমাজ মাধ্যম প্রসঙ্গে বলতে শোনা গিয়েছিল। তখন তাঁর বক্তব্য ছিল, সমাজ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবর শুধু সংবাদ মাধ্যমগুলির জন্য নয় দেশের সরকারের জন্যও চিন্তার বিষয়। এর দ্বারা দাঙ্গা পরিস্থিতিকে উস্কে দেওয়া সহজ। সত্যকে বিকৃত করে নেটিজেনদের সামনে তুলে ধরা যায়। এদিন ফের সেই বিষয় নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। উল্লেখ্য, এদিন সমাজ মাধ্যমের বিষয় মিটতেই লোকসভার আদানি প্রসঙ্গে আলোচনার দাবি তোলে বিরোধীরা। যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হতেই মুলতুবি হয়ে যায় অধিবেশন।


More Stories
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
রাজ্যসভায় নীতিশ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে এবার?
লাল প্রতীক এখন সবুজ, প্রতীক উর আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে