Home » হাইকোর্টের রায়ে পঞ্চায়েতে ফিরেও ঘর ছাড়া আরাবুল

হাইকোর্টের রায়ে পঞ্চায়েতে ফিরেও ঘর ছাড়া আরাবুল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১০ ডিসেম্বর: পরিচিত আবহে কাজ করতে না পারলে জনতার সেবা করতে পারবেন না আরাবুল, এমনটাই দাবি তুলে পঞ্চায়েত সমিতির হারানো ঘর ফিরত চাইলেন তৃণমূল নেতা। এই নিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: “ভাববেন না আমরা বসে ললিপপ খাব…” বাংলা দখল নিয়ে রুজভিকে হুঁশিয়ারি মমতার

আরাবুলের যুক্তি, চেনা ঘর, চেনা চেয়ারে না বসলে কাজে গিয়ে আমজনতা সমস্যায় পড়বে। তাঁর কথায়, আরাবুল ইসলাম বলেন, “২০১৩ সাল থেকে দশ বছর ওই ঘরটায় আমি বসছি। এক বার সহ-সভাপতি এবং দু’বার সভাপতি হিসাবে আমি ওই ঘরেই বসে কাজ করেছি। আমি যদি অন্যত্র বসি তাহলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।”

আরও পড়ুন: জাঁকিয়ে শীত আসবে, গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম

ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠলেই সামনের প্রথম ঘরটিকে সবাই সভাপতির ঘর বলে চেনেন, জানেন। ওই ঘরের চেয়ারে বসেই একটানা ১২ বছর এলাকার মানুষকে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিসাবে পরিষেবা দিয়েছেন আরাবুল ইসলাম। এখন অভিযোগ, আরাবুল জেলে যেতেই সেই ঘরটি দখল করে নিয়েছেন আরাবুল বিরোধী তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ খাইরুল ইসলাম। এখন সেই ঘর ফেরত চান পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। ইতিমধ্যে হাই কোর্টের রায়ে আরাবুল দশ মাস পরে পঞ্চায়েত সমিতিতে ফিরেছেন। তার পরেও আরাবুলের পুরনো ঘর তাঁকে ফিরিয়ে দিতে নারাজ খাইরুল। এদিকে নাছোড়বান্দা ভাঙড়ের দাপুটে নেতা আরাবুলও। লড়াই এখন শুধু একটা ঘরের নয়, বরং অনেক বেশি মান-সম্মানের। যে লড়াইয়ে জিততে এবার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ আরাবুল।

আরও পড়ুন: ভাগ্নিকে বারবার ধর্ষণের অভিযোগ মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে

About Post Author