Home » হুগলি নদীর উপর বচসায় জড়ালেন অভিজিৎ-বাবুল! হাতাহাতি হবার জোগাড়!

হুগলি নদীর উপর বচসায় জড়ালেন অভিজিৎ-বাবুল! হাতাহাতি হবার জোগাড়!

সময় কলকাতা ডেস্ক:- বিদ্যাসাগর সেতু অর্থাৎ দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজের উপর চরম গন্ডগোলে জড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। না, কোনও রাজনৈতিক ইস্যুতে নয়। গাড়ির গতির বিষয় নিয়ে একে অপরের সঙ্গে বাকযুদ্ধ লাগে তাঁদের। অভিজিৎ বাবুর দাবি, তাঁকে গালিগালাজ করেছেন বাবুল। পাল্টা বাবুলের বক্তব্য, তাঁকেই অকারণে খারাপ কথা বলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনের গাড়িই কলকাতা থেকে হাওড়া যাচ্ছিল। বাবুলের দাবি, পিছন থেকে হর্ন বাজিয়ে প্রচণ্ড গতিতে একটি গাড়ি আসছিল। সেটি তাঁর গাড়িকে অতিক্রম করার চেষ্টা করে। তখন তিনি মুখ বাড়িয়ে ওই গাড়ির চালককে ধীরে চালানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, ওই গাড়িতে বসা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর কথার তোয়াক্কা না করেই গাড়ি চালিয়ে যেতে বলেন চালককে। তখনও বাবুল জানতেন না, কে বসে আছে পিছনের সিটে।

যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অভিজিতের বক্তব্য, তাঁর গাড়ির চালক যদি কোনও ভুল করত তাহলে পুলিশ ধরত। কেস দিতেই পারত। কিন্তু এমন কিছুই হয়নি। তাঁর দাবি, গাড়ির সামনে ‘এমপি তমলুক’ লেখাটি দেখতে পেয়েই বাবুল ইচ্ছাকৃত এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বাবুল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলেও দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, বাবুলই প্রথমে তাঁর গাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ শুরু করেন।

শুক্রবার রাতে প্রায় ১৫-২০ মিনিট ধরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর ওপর বচসা চলে দুই নেতার। গাড়ি থামিয়ে দুজন একে অন্যের উপর প্রায় চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মন্ত্রী বাবুলের অভিযোগ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁকে গালাগাল দেন এবং বলেন, ‘যা করেছে বেশ করেছি” । দুই বিখ্যাত জনপ্রতিনিধির এহেন প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে বচসা দেখে আশপাশের স্থানীয় মানুষজন ভিড় জমান। বাবুলের দাবি অনুযায়ী তিনি বিজেপি সাংসদকে ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন। কিন্তু ক্ষমা চাওয়া তো দূর, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নাকি তাঁকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করে ‘দেখে নেওয়ার’ হুঁশিয়ারি দেন।

About Post Author