সময় কলকাতা ,তনুজ জৈন, মালদা:-স্বামী যে বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় জড়িত, তা ভেবেই অবাক হচ্ছেন ওয়ান্টেডের তালিকায় থাকা বাবলু যাদবের স্ত্রী। প্রতিবেশীরা বলছেন, যদি খুনের ঘটনায় যুক্ত হতে থাকে, তাহলে যেন ফাঁসি হয়।
মালদহের তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার খুনের ঘটনায় এখনও অধরা আরও দুই অভিযুক্ত। ইতিমধ্যেই তাদেরই হদিশ পেতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে মালদহ জেলা পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া পোস্টারে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণা রজক ও বাবলু যাদবকে খুঁজে দিতে পারলে ২ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এদিকে, নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী বারবার বলেছেন, এর নেপথ্যে বড় মাথা রয়েছে। রাজনৈতিক ফায়দার জন্যই দুলালকে খুন করা হয়েছে।
তদন্ত জারি রয়েছে। জারি দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ। তদন্তে নেমে পুলিশ মনে করছে, কৃষ্ণা ও বাবলুকে ধরতে পারলেই উত্তর পাওয়া যাবে কে আসলে বড় মাথা। এদিকে স্বামী যে বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় জড়িত, তা ভেবেই অবাক হচ্ছেন বাবলু যাদবের স্ত্রী সুচরিতা। বলছেন, বাবলু যাদবের সঙ্গে তাঁর এখন কোনও সম্পর্ক নেই। যদি আগে টের পেতেন, তাহলে ধরিয়ে দিতেন। বাবলুর আসল বাড়ি বিহারে। সে কিছুই করত না। তবে বাবলুর স্ত্রী এটাও বলেন, সম্ভবত বাবলু যাদব তৃণমূল করত, তবে তিনি স্পষ্টভাবে তা বলতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণ রজক ওরফে রোহন মাঝে মাঝে তাঁদের বাড়িতে যেত। ১ তারিখের পর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি। পুলিশ ২ তারিখ তাদের বাড়িতে গিয়েছিল। এমনই বিস্ফোরক দাবি তৃণমূল কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত বাবলু যাদবের স্ত্রীর।
প্রতিবেশীরা বলছেন, যদি খুনের ঘটনায় যুক্ত হতে থাকে, তাহলে যেন ফাঁসি হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইংলিশবাজারের রেলওয়ে ব্যারাক কলোনির বাসিন্দা কৃষ্ণা রজক ওরফে রোহন ও মহানন্দাপল্লির বাসিন্দা বাবলু যাদব। দুলাল সরকার খুনে এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও অধরা এই দুই অভিযুক্ত। দুই অভিযুক্তের ছবি, নাম, ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে পুলিশের তরফে। তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছে।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা