সময় কলকাতা ডেস্ক:-অশান্তি যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ছত্তিশগড়ে। শনিবার রাতে ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে নিকেশ হয় ৪ মাওবাদী। ওই ঘটনার আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বদলা নিল নকশালপন্থীরা। সোমবার বিজাপুরে সিআরপিএফ জওয়ানদের গাড়ি লক্ষ্য করে মাওবাদী হামলা চলে। হামলার ঘটনায় আট জওয়ান এবং গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকেই।
জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা একটি গাড়িতে চেপে কুতরু এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। আচমকাই ঘটে যায় বিস্ফোরণ। ওই গাড়িতে ছিলেন বেশ কয়েকজন ডিআরজি জওয়ান। ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে ৮ জওয়ান শহিদ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে বিজাপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর দলটি তল্লাশি অভিযান সেরে ফেরার সময় তাঁদের কনভয় লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
শনিবার গভীর রাতে ছত্তিশগড়ের দক্ষিণ আবুজমাদে নিরাপত্তা বাহিনী ও মাওবাদীদের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। এনকাউন্টার চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনীর পোশাক পরা অবস্থায় চার মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়। সোমবার সকালে এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় আরও এক মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। মৃতদের মধ্যে দুই মহিলাও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অনুমান, তারই বদলা নিল নকশালপন্থীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক বার দাবি করেছেন, মাওবাদী দমনে সাফল্য এসেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে মাওবাদী শূন্য হবে দেশ। যদিও বার বার নকশালপন্থীদের পালটা মারে সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় হামলা!


More Stories
কেরলের নামবদল : প্রেক্ষাপট ও বিতর্ক
ধর্মই ক্ষমতার উৎস : গীতাপাঠ ও বাবরি মসজিদ
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ সংক্রান্ত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কি ফাঁস?