সময় কলকাতা ডেস্ক:- কল্যাণীতে অবৈধ বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। এর আগেও বিষাক্ত মদ কাণ্ডে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস। এবারও পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে অর্থসাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।
বিস্ফোরণ কাণ্ডের কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে যান বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এবং ২ বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং বঙ্কিম হাজরা। কিন্তু তাঁদের তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। তার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ইতিমধ্যে কল্যাণী বিস্ফোরণ কাণ্ড নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রানাঘাটের ।
রানাঘাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কুমারসানি রাজও ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১ জন জখম। তাঁর চিকিৎসা চলছে। ওই বাজি কারখানাটি আদৌ বৈধ নাকি বেআইনি তা তদন্তসাপেক্ষ। ইতিমধ্যে বাজি কারখানার মালিক খোকন বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতে পেশ করা হবে। তাকে জেরা করে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।”
শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ কল্যাণীর রথতলা এলাকার টিনের ছাউনি ঘেরা ঘর থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। লেগে যায় আগুন। তখন ওই বাজি কারখানায় কাজ চলছিল। কারখানায় কর্মরত ৫ শ্রমিক আটকে পড়েন। একজন আগুনে পুড়ে কোনওমতে কারখানার বাইরে আসেন। কিন্তু কারখানার ভিতরে আটকে পড়েন ৪ জন। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় তাঁদের। এদিন সন্ধ্যায় বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করেন বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। এলাকায় পৌঁছন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও।
এই ঘটনায় জেলাশাসককে আলাদা করে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। জেলা পুলিশের কাছ থেকেও রিপোর্ট চেয়েছে নবান্ন।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন বাইক আরোহী