Home » তিনমাসে কীভাবে ‘ভূত’মুক্ত ভোটার তালিকা? ,উত্তর চাইতে কমিশনে যাচ্ছেন ডেরেক-কল্যাণরা

তিনমাসে কীভাবে ‘ভূত’মুক্ত ভোটার তালিকা? ,উত্তর চাইতে কমিশনে যাচ্ছেন ডেরেক-কল্যাণরা

সময় কলকাতা ডেস্ক :-  তিনমাসে কীভাবে ‘ভূত’মুক্ত ভোটার তালিকা? উত্তর চাইতে কমিশনে যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। মঙ্গলবার দেখা করবেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে।রাজ্য বিধানসভায় প্রথমবার ভূতুড়ে ভোটার ইস্যুতে সুর চড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের মেগা সমাবেশ মঞ্চ থেকেও একই ইস্যুতে সরব হন তিনি। দাবি করেন, ভুয়ো ভোটারদের ব্যবহার করে ভোট বাড়িয়ে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন জেতার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচন কমিশনের আশীর্বাদে বিজেপি নেতারা এই কাজ করছেন বলেও অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঘুমন্ত কমিশনকে জাগাতে তৃণমূলের এই অভিযান

যদিও, ভূতুড়ে ভোটার চিহ্নিতকরণে সুব্রত বক্সির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেন। গত বৃহস্পতিবার সেই কোর কমিটির প্রথম বৈঠকের পরেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘুমন্ত কমিশনকে জাগাতে তৃণমূলের এই অভিযান বলেই দাবি করেন তাঁরা। তার ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই শুক্রবার বড় বার্তা দেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা থেকে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর আগামী ৩ মাসের মধ্যে সরানো হবে বলে জানায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে ভুতুড়ে ভোটার নিয়ে দিল্লিতে আরও চাপ বাড়াতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটার তালিকা থেকে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর আগামী ৩ মাসের মধ্যে সরানো হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই বিষয়েই এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে স্মারকলিপি দেবে তৃণমূলের সংসদীয় প্রতিনিধি দল। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১০ জন সাংসদ মঙ্গলবার দেখা করবেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে। কীভাবে তিনমাসের মধ্যে এই ভোটার তালিকা থেকে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সরানো হবে? সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হবে।

কয়েকদিন আগেই কমিশন বিবৃতি জারি করে জানায়, একই এপিক নম্বরে একাধিক ভোটার কার্ড থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে কাউকে ভুয়ো ভোটার বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে না। পরে চাপে মুখে নতি স্বীকার করত বাধ্য হয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার নয়া বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন জানায়, আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান করা হবে। তবে তাই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই নিয়েই এবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে যাচ্ছে তৃণমলের সংসদীয় প্রতিনিধি দল। ডুপ্লিকেট এপিক নম্বরের সংখ্যা কত? কমিশনের কাছে কি এই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য আছে? কীভাবে মাত্র তিনমাসের মধ্যে এই সমস্যা সমাধান হবে! কোন যাদুমন্ত্র নির্বাচন কমিশনের কাছে আছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন ডেরেক। এই বিষয়ে মঙ্গলবার স্মারকলিপিও দেওয়া হবে।

About Post Author