Home » তৃণমূলের জেলা-ব্লক প্রেসিডেন্ট বদল এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, সংগঠনের রাস অভিষেকের হাতে

তৃণমূলের জেলা-ব্লক প্রেসিডেন্ট বদল এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, সংগঠনের রাস অভিষেকের হাতে

সময় কলকাতা ডেস্ক:- শনিবার অভিষেক বিকেল চারটে নাগাদ তৃণমূলের সমস্ত বিধায়ক, সাংসদ, পুরনিগমগুলির মেয়র, ডেপুটি মেয়র এবং চেয়ারম্যান, জেলা সভাপতিদের সঙ্গে মেগা ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই বৈঠকে দলের প্রায় ৪,৫০০ নেতা উপস্থিত ছিলেন বলে সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, রাজ্যের ‘ভুয়ো ভোটার’ ধরতে আগেই কোর কমিটি তৈরি করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যসভা এবং লোকসভার সমস্ত সাংসদকে এই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। পাশাপাশি ছাত্র, যুব, শ্রমিক, কৃষক, সংখ্যালঘু, মহিলা সহ সমস্ত শাখা সংগঠনের জেলার নেতৃত্বও এই বৈঠকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। গত লোকসভা ভোটের আগেও ভোটের কাজ, গণনাকেন্দ্রের কাজ কী ভাবে হবে, তা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন অভিষেক। বছর ঘুরলেই রাজ্যে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন।

শীঘ্রই জেলা ও ব্লক প্রেসিডেন্ট পদে রদবদল করা হবে। সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে এই রদবদল হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, কোথায় কোথায় ভালো ফল করছে না তৃণমূল, তা ঠিকমতো নজরে রাখার জন্য বিভিন্ন জেলার নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সর্বস্তরের নেতাদের নিয়ে এই বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

এ দিনের বৈঠকে আগামী ৫ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনি নিয়ে জেলা স্তরের কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২১ থেকে ২৭ দিনের মধ্যে জেলা স্তরের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘ভুয়ো ভোটার’ ধরতে তৃণমূলের নিচু তলার নেতাদের ট্রেনিং দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে I-PAC কে। এ দিনের বৈঠকে একটি ১০ মিনিটের ভিডিয়ো দেখানো হয়। সেখানে ‘ভুয়ো ভোটার’ ধরার বিভিন্ন পদ্ধতি জানানো হয়। এই ভিডিয়ো প্রত্যেকটি ব্লকের নেতাদের দেখানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও এই বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক দফায় ভোট করানো এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে একাধিক জেলাশাসক, পুলিশকর্তাদের বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে কমিশনের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ‘ভুয়ো ভোটার’ প্রসঙ্গে অভিষেক দাবি করেন, মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের চার মাসে কী ভাবে ৩৯ লক্ষ ভোটার সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল, যা তাঁর মতে ভুয়ো ভোটার।

About Post Author