সময় কলকাতা ডেস্ক:- ওয়াকফ সংশোধনী আইন মুসলিম স্বার্থবিরোধী, এই অভিযোগ তুলে বড়সড় আন্দোলনের পথে হেঁটেছে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটা অংশ। এনিয়ে দেশজুড়েই বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে। নয়া ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবার সেই মামলার শুনানি ছিল। যুক্তি, পাল্টা যুক্তির মাঝেই বড়সড় উদ্বেগের কথা শোনালেন খোদ প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। মূলত ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ বা ‘ভোগ-দখলে ওয়াকফ’ সম্পত্তি নিয়ে সত্যিই যে শঙ্কার জায়গা রয়েছে তা মেন নিল শীর্ষ আদালত।
প্রসঙ্গত, নয়া ওয়াকফ আইন নিয়ে কেন্দ্রের বিরোধিতায় শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে একাধিক রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় সংগঠন। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম সহ তৃণমূল, সিপিআই, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, জেডিইউ, ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ-সহ একাধিক দল রয়েছে তার মধ্যে। প্রায় প্রতিটি মামলারই মূল বক্তব্য, এই নতুন আইন মুসলিম স্বার্থবিরোধী এবং তাদের মৌলিক অধিকারে আঘাত করতে চলেছে। তাই তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিন ওয়াকফ আইনের বিরোধিতায় মামলাকারীদের আইনজীবী কপিল সিব্বল ও অভিষেক মনু সিংভির একাধিক যুক্তি খণ্ডন করে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এজলাসে মামলাকারীদের কৌশলী সিংভি বলেন, নতুন আইনে ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ বিলুপ্ত করা হয়েছে। এর ফলে বহু সম্পত্তি বেদখল হয়ে যেতে পারে। তাঁকে মাঝপথেই থামিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি খান্না বলেন, “যদিও আপনার বক্তব্য মাঝপথে থামাতে চাই না, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে তা সত্যি। আমরা শুনলাম দিল্লি হাই কোর্টও নাকি ওয়াকফের জমিতে তৈরি! আমরা বলছি না সব ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটেছে। কিন্ত বাস্তবিকই উদ্বেগের কারণ রয়েছে।”


More Stories
তৃণমূল ও সিপিএম প্রসঙ্গে দলীয় কর্মীদের মুখ্যমন্ত্রীর শপথবাক্য ও মন্ত্রগুপ্তি
চোরের মায়ের বড় গলা – শর্বরীকে কটাক্ষ সৃজনের
কাজল শেখের পদত্যাগ