সময় কলকাতা ডেস্ক:- মালদহের বৈষ্ণবনগরের পাল্লালপুর হাই স্কুল এখন হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদের দুলিয়ান থেকে আসা শরণার্থীদের শিবির। বুধবার এই শিবিরে শরণার্থীদের সাথে দেখা করতে এলেন তাদের আত্মীয়-পরিজনরা। কেউ সঙ্গে নিয়ে এলেন প্রয়োজনীয় ওষুধ সহ অন্যান্য জিনিসপত্র, কেউ দিয়ে গেলেন কোলের সন্তানকে, জানালেন সেখানকার পরিস্থিতি।
জানা গেছে, মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আইনের বিরোধিতায় যে ভয়াবহ পরিস্থি তৈরী হয়েছে ধুলিয়ানে তার জেরে, কেউ কেউ নিজেদের সন্তানকে আত্মীয়র বাড়ি রেখেই প্রাণ বাঁচাতে পালিয়েছিলেন। ফলে, বাবা মা ছাড়া মন খারাপ করছে বাচ্চাদের। তাই শিবিরে এসে বাচ্চাদের দিয়ে গেলেন। সাথে তারা জানালেন ধুলিয়ানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা। জানালেন এখনও আগুন জ্বলছে বিভিন্ন দোকানে। তাই প্রত্যেকের মধ্যে এখনও রয়েছে আতঙ্ক। তারা নিরাপদ বোধ করতে পারছেন না।
ওয়াকফ আন্দোলনের নামে হিংসায় জ্বলছে মুর্শিদাবাদ। ধুলিয়ানের ১৬ নং ওয়ার্ডের পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়েছিল। সেই সময় প্রাণ বাঁচাতে পাঁচ শতাধিক হিন্দু নদী পার করে বৈষ্ণবনগরের পাল্লালপুরে আসে। সেখানকার হাই স্কুল আশ্রয় হয় তাদের। চারদিন ধরে সেখানেই রয়েছেন আক্রান্তরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বেশ কিছু জন ফেরত গেছেন।
কিন্তু প্রশাসন যখন তাদের ঘরে ফেরাতে তৎপর। সেই দিন তাদের আত্মীয়রা যারা ধুলিয়ানের অন্যান্য অংশ থেকে দেখা করতে এলেন, তাদের কাছে জানা গেল আতঙ্কের রেশ এখনও কাটেনি। সবথেকে বেশি আতঙ্ক থাকছে রাতে। সে ক্ষেত্রে এখনই শরণার্থী শিবির থেকে ফিরে গেলে কতটা নিরাপত্তায় থাকবে সেখানকার হিন্দুরা, তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।


More Stories
নেশামুক্তি কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন তরুণীকে গণ*ধ*র্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার কর্ণধার
তৃণমূল আমলের প্রকল্পের বেহাল দশা, দুর্গন্ধ ঘুরপাক খাচ্ছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বাতাসে
রক্ত পাচারের অভিযোগ বেসরকারি ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে