সময় কলকাতা ডেস্ক:- ডেঙ্গুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার নেপথ্যে যে কয়েকটি জিনিস দায়ী, তাদের অন্যতম ফাঁকা জমি এবং নির্মীয়মাণ আবাসন। তাই এখন থেকেই এমন সব জায়গায় বাড়তি নজরদারি শুরু করেছে দক্ষিণ দমদম পুরসভা।
যে সব জায়গা থেকে ডেঙ্গু ছড়ায়, এমন ১৫০০টি জায়গাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে রয়েছে ৩০০টি নির্মীয়মাণ আবাসন, ৬০৯টি ফাঁকা জমি, ২৯৬টি আবর্জনা ফেলার জায়গা।
ডেঙ্গু বাড়তে শুরু করে মূলত জুলাইয়ের শেষদিক থেকে। রোগের প্রকোপ থাকে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত। সে কথা মাথায় রেখে এ বার যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাই এখন থেকে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরসভা। তবে, ২০২৪ এ আক্রান্তের সংখ্যা তুলনায় ছিল অনেকটাই কম। সরকারি হিসেবে ১০৪ জনের ডেঙ্গু রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। চলতি বছরের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় মাত্র একজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর ২৪ পরগনার জেলার মধ্যে দক্ষিণ দমদম ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা হিসেবে প্রথমের সারিতে রয়েছে। ২০২২ সালে এই পুর এলাকায় ৩৫০০, ২০২৩–এ ১৭৮৭ আক্রান্ত হয়েছিলেন ডেঙ্গুতে।
দক্ষিণ দমদম জুড়ে নজরদারির জন্য ওয়ার্ডভিত্তিক টিম তৈরি করা হয়েছে। ওইসব হটস্পটে জল জমে রয়েছে কি না, সেদিকে নজর রাখবে ওই টিম। সতর্ক করা হচ্ছে জায়গাগুলির মালিকদেরও।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি