Home » পাকিস্তানের ‘জঘন্য কাজকারবার’, ‘সাজানো বুলি’, রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের দুকান কেটে নিল ভারত

পাকিস্তানের ‘জঘন্য কাজকারবার’, ‘সাজানো বুলি’, রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের দুকান কেটে নিল ভারত

সময় কলকাতা ডেস্ক:- মানবাধিকার ও শিশুদের উপর নির্যাতন নিয়ে পাকিস্তানকে বৃহস্পতিবার তুলোধনা করে ভারত। ভারত নিরাপত্তা পরিষদের সকলকে জানিয়ে দেয় যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বুলি ঝাড়ার কাজে অপব্যবহার করছে পাকিস্তান। অথচ, নিজেদের দেশে মানবাধিকার ও শিশু অপরাধ কোন তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে, তা নিয়ে চোখে পট্টি বেঁধে বসে থাকে।

শিশু নির্যাতন ও সশস্ত্র সংঘাত নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক মুক্ত বিতর্কসভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী রাষ্ট্রদূত পর্বতানেনি হরিশ পাকিস্তানের কঠোর নিন্দায় বলেন, সিএএসি কর্মসূচির সবথেকে বড় বিধিভঙ্গকারী দেশ হল পাকিস্তান। শিশু নির্যাতন নিয়ে ওদের রেকর্ডের সঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিবের দলিলে বর্ণিত তথ্যের কোনও তালমিল নেই। ওরা সবসময় চায়, দৃষ্টি ঘোরাতে।

ভারতের স্থায়ী রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, জঙ্গি কার্যকলাপে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান কখনও তা মানতে চায় না। ভারতের শিশু ও সাধারণ মানুষকে ওদের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা নিশানা করে। তিনি গত ২২ এপ্রিলে পহলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন এবং বলে যারা করেছে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে পাকিস্তান ও সাহায্য করেছে পাকবাহিনী। অথচ, বিভিন্ন আলোচনার সময় ওরাই ওদের জঘন্য কার্যকলাপ ধামাচাপা দিতে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করার খেলা খেলেছে।

বৃহস্পতিবারই পাকিস্তান ও চিনের নাম না করে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের চরম অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। চিনের কুইংদাও-য়ে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে রাজনাথ জানিয়ে দেন, সন্ত্রাসবাদকে ভারত কোনওদিন সমর্থন করেনি, করবে না। কোনওভাবেই ভারত জঙ্গিপনাকে বরদাস্ত করবে না।

এই সম্মেলনে চিন ও পাকিস্তান যখন সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে নরম মনোভাব দেখিয়েছে, তখন রাজনাথও যৌথ দলিলে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন। কারণ এই যৌথ দলিলে সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক সুরক্ষা সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নয়াদিল্লির অবস্থানকে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। সে কারণে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেই যৌথ দলিলে সই করেননি। ভারতের অসম্মতির কারণে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন অবশ্য শেষপর্যন্ত যৌথ বিবৃতি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।

About Post Author