সময় কলকাতা ডেস্ক:- শহরে শাসক দলের শিক্ষক সংগঠনে ভিড় বাড়াতে গ্রাম থেকে শহরের স্কুলগুলিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গ্রামের শিক্ষকদেরকে। এখন শহরের স্কুলে শিক্ষকদের ভিড় অথচ সেখানে ছাত্র দিনদিন কমছে। গ্রামের স্কুলে ছাত্র থাকলেও এমনিতেই শিক্ষকের অভাব তার ওপর প্রাথমিকে করনিক না থাকায় শিক্ষা দপ্তরে বিভিন্ন রিপোর্ট পাঠানো থেকে শুরু করে মিড-ডে মিল সবতেই মাথা ঘামাতে হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। তার ওপর প্রতিদিনের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বুথ লেভেল অফিসারের দায়িত্ব।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে বুথ লেভেল অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষক শিক্ষিকাদের অব্যাহতি দেওয়ার দাবী জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে বুথ লেভেল অফিসার হিসেবে শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়োগ করলে শিক্ষা ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়।
সংগঠনে জেলা সম্পাদক বিপ্লব ঝা জানান অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে এই কাজে নিয়োগ করা হচ্ছে। স্কুলে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত দেখা হচ্ছে না যা শিক্ষার অধিকার আইনের পরিপন্থী।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যদি একান্তই শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিতেই হয় সে ক্ষেত্রে তাঁদের অন ডিউটি দিতে হবে শিক্ষার কাজ করে এই কাজ করা সম্ভব নয়, ছুটির দিনে কাজ করানো হয় তবে তাঁদের নিকটবর্তী ছুটির দিনে ছুটি দিতে হবে, ৩০:১ অনুপাত বজায় রেখে। শিক্ষকদের কাজে নিযুক্ত করা, প্রয়োজনে জেলা শিক্ষা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করবার কথা বলা হয়েছে। অসুস্থ শিক্ষক শিক্ষিকা, যে সমস্ত শিক্ষিকার সন্তানের বয়স ১০ বছরের কম তাঁদের এবং একই স্কুল থেকে ২ জন শিক্ষক কোনও ভাবেই বিএলও দায়িত্বে নিযুক্ত করা যাবে না।
শিক্ষক শিক্ষিকাদের বাসস্থান থেকে দূরবর্তী স্থানে বিএলও হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদক বিপ্লব ঝা, জোনাল সম্পাদক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, শিক্ষক নেতা পার্থ কর সোমা নিয়োগী শুভ্রজ্যোতি গাঙ্গুলী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।


More Stories
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?