সময় কলকাতা ডেস্ক:- জলপাইগুড়ির বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের আম্বাডিপা এলাকায় অবর্ণনীয় চিত্র। কপাটিক খোলার জন্য জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন বছর ৩০-এর জুসিলা কুজুর। সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। কিন্তু মৃতদেহ বাড়ি পৌঁছানোই হয়ে ওঠে পরিবারের জন্য দুর্বিসহ। অভিযোগ, গয়েরকাটা থেকে বীরপাড়াগামী হাইওয়ে-৪৮ সংলগ্ন কাঁচা রাস্তায় হাঁটু-সমান কাদা। ফলে এম্বুলেন্স পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে প্রায় চার কিলোমিটার ঘুরপথে তেলিপাড়া চা-বাগান হয়ে দেহ নিয়ে আসা হয়।
তবুও শেষে প্রায় এক কিলোমিটার হাঁটাপথে স্ট্রেচারে করেই মৃতদেহ নিয়ে পৌঁছাতে হয়েছে বাড়িতে।
এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ, রাস্তা সংস্কার নিয়ে দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের টালবাহানায় বছরের পর বছর অবহেলিত এই পথ। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অবিলম্বে রাস্তার কাজ শুরু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। এই ঘটনায় একদিকে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, অন্যদিকে পঞ্চায়েতের অবহেলায় প্রশ্ন তুলছে স্থানীয়রা। মানবিক সংকটের এমন ছবি আবারও সামনে আনল গ্রামীণ রাস্তা সমস্যার বাস্তব চিত্র।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি