সময় কলকাতা ডেস্ক:- বিহারে নির্বাচন তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জেরে ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। যা নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ১৪ আগস্ট শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে কেন নাম বাদ গিয়েছে, তার কারণ-সহ ওই তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সময়সীমা পেরনোর অনেক আগেই নির্দেশ মেনে পদক্ষেপ করে কমিশন। রবিবার জেলাশাসকদের ওয়েবসাইটে ওই তালিকা পোস্ট করা হয়।
এবার সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশে নড়েচড়ে বসল বিহারের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়ে দিলেন, খসড়া ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ গেছে, তাঁরা আধার কার্ড দেখিয়ে পুনরায় দাবি জানাতে পারবেন। বিহারের মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ। এর মধ্যে প্রথম খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে ৭ কোটি ২৪ লক্ষের।
বাদ পড়েছেন প্রায় ৬৫ লক্ষ মানুষ। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়ে দিলেন, খসড়া ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ গেছে, তাঁরা আধার কার্ড দেখিয়ে পুনরায় দাবি জানাতে পারবেন।
এই সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাদ পড়া ভোটাররা তাঁদের ইপিক নম্বরের মাধ্যমে তালিকাভুক্তির অবস্থা ও বাদ যাওয়ার কারণ জানতে পারবেন। ১ আগস্ট প্রকাশিত খসড়া তালিকায় বাদ পড়াদের নাম ব্লক অফিস, পঞ্চায়েত অফিস, পুরসভা এবং প্রতিটি বুথে টাঙানো হয়েছে। অসন্তুষ্ট ব্যক্তিরা আধার কার্ডের কপি দিয়ে দাবি জানাতে পারবেন। তবে এখনও স্পষ্ট নয়, এই প্রক্রিয়ায় আধারের পাশাপাশি কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথির মধ্যে অন্য কোনও কাগজপত্র দেখাতে হবে কিনা।
এর আগে রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছিলেন, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রথম পর্যায়ে ৬৫ লক্ষ নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর মধ্যে ৩৬ লক্ষকে দেখানো হয়েছে অন্যত্র স্থায়ীভাবে চলে গেছে বলে, আর ২২ লক্ষকে মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, কারা বাদ পড়েছেন এবং কেন তাঁদের নাম মুছে ফেলা হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করতে হবে।


More Stories
তৃণমূল ও সিপিএম প্রসঙ্গে দলীয় কর্মীদের মুখ্যমন্ত্রীর শপথবাক্য ও মন্ত্রগুপ্তি
চোরের মায়ের বড় গলা – শর্বরীকে কটাক্ষ সৃজনের
কাজল শেখের পদত্যাগ