সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না নেইমারের। কয়েকদিন আগে ব্রাজিলিয়ান লিগের ম্যাচে ফিলিপে কৌতিনহোর ভাস্কো দা গামার কাছে ৬ গোলে বিধ্বস্ত হয় সান্তোস। নিজের দলের এমন পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারেননি নেইমার। মাঠেই ভেঙে পড়েন কান্নায়।
স্যান্টোসের এই হতাশাজনক অবস্থায় প্রবল ক্ষুব্ধ সমর্থকরা। অনুশীলনের পর সমর্থকেদর ক্ষোভ আছড়ে পড়ল। ক্লাবের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়েন সমর্থকরা। ক্লাব কর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হন সমর্থকরা। নেইমার ও অন্যান্য প্লেয়াররাও তাঁদের মুখোমুখি হন।
৬ গোলে হেরে যাওয়ার পর আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার। মাঠেই হাউহাউ করে কাঁদতে দেখা যায় তাঁকে। এমন লজ্জার পরাজয়ের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে স্যান্টোস কোচকে। লিগ টেবিলে স্যান্টোস রয়েছে ১৫ নম্বর স্থানে। অবনমনের আতঙ্ক এখনও কাটেনি। কিন্ত তাতেও সমর্থকদের মন শান্ত হচ্ছে না।
ঘরের মাঠে স্যান্টোসের ছ’গোল হজম করায় চরম ক্ষুব্ধ ক্লাবের সমর্থকরা। সোমবার স্যান্টোসের অনুশীলন ছিল না। এরপর অনুশীলন শুরু হতেই একদল সমর্থক হাজির হন অনুশীলনের মাঠে। নেইমারকে উদ্দেশ্য করে তারা বলেন, “আপনি কাঁদলে দলের মনোবল কোথায় থাকবে?”
নেইমার অবশ্য মেজাজ হারাননি। তিনি ঠান্ডা মাথায় সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ছিলেন স্যান্টোসের বাকি ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফেরাও। ব্রাজিলীয় তারকা বলেন, ‘আমি খুব হতাশ। আপনাদের প্রতিবাদ করার পূর্ণ অধিকার হয়েছে। কিন্তু হিংসাত্মক কিছু করবেন না। আমাদের অপমান করুন। আমরা নিজেরাও লজ্জিত।
তবে সমর্থকদের বিক্ষোভের কথা ভেবে স্যান্টোসের অনুশীলনে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।গত জুনে ব্রাজিলের সান্তোসে নতুন চুক্তিতে সই করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর কেরিয়ারের এটাই হয়ত সবচেয়ে হতাশাজনক পরাজয়ের নজির।
বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে চোট পেয়ে প্রায় এক বছর ছিটকে গিয়েছিলেন নেইমার। সৌদি প্রো লিগে আল হিলালের হয়ে খেলার সময়ে এসিএল ছিঁড়ে গিয়েছিল নেইমারের। অস্ত্রোপচারের পরে ফিরে এলেও আল হিলাল তাঁর সঙ্গে চুক্তি আর বাড়ায়নি। নেইমার চলে আসেন ছেলেবেলার ক্লাব স্যান্টোসে।


More Stories
অভিষেকে মানব যেন মহামানব, আফগানিস্তান বিপাকে
গিল -রাহুলের শতরান, বড় ইনিংস গড়ছে ভারত
টি-টোয়েন্টি-তে ভারতের নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স, দলে বৈভব