সময় কলকাতা ডেস্ক:- মণিপুরে শেষবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পা পড়েছিল ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। তারপর ২০২৩ সালের মে মাসে রাজ্যজুড়ে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে জাতিগত দাঙ্গার আগুন। প্রাণ যায় শতাধিক মানুষের, হাজার হাজার পরিবার হারায় ঘরবাড়ি। দুই বছর পেরিয়েও অশান্তির ছায়া কাটেনি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য থেকে।
এই সময়ে বিদেশ সফর কিংবা ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে শান্তি স্থাপনের প্রচেষ্টা, সবেতেই দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। কিন্তু মণিপুরে যাওয়ার সময় বের করতে পারেননি তিনি। এই অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা বারবার। লোকসভা অধিবেশন থেকে শুরু করে সাংবাদিক সম্মেলন, প্রতিবারই এই প্রশ্নে বিঁধতে হয়েছে মোদিকে।
এবার বিরোধীদের লাগাতার চাপের পর সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর মণিপুর সফরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের মে মাস থেকে জাতি সংঘর্ষে জ্বলছে মণিপুর। কুকি-মেতেই সংঘাতের বলি হয়েছেন বহু মানুষ। শান্তি ফেরাতে লাগাতার চেষ্টা হলেও দফায় দফায় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যটি। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ হারান প্রায় ২৫০ জন মানুষ, ঘরছাড়া হয়ে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ আজও শরণার্থী শিবিরে দিন কাটাচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে বিরোধীরা বারবার দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে যেন মণিপুরে যান। সেখানকার মানুষের দুরাবস্থার ছবি নিজের চোখে দেখে আসুন। কিন্তু দু’বছর কেটে গেলেও মণিপুরে পা রাখেননি প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীরা সরব হলেও আশ্চর্যজনকভাবে এই ইস্যুতে কার্যত নীরবই থেকেছেন তিনি।
সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার বিবৃতি দিলেও প্রধানমন্ত্রী মোদি সেভাবে উত্তপ্ত রাজ্যটি নিয়ে মুখ খোলেননি। এর মধ্যে আবার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি একাধিকবার মণিপুরে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসেছেন।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?