Home » সংস্কারমনস্ক,উন্নয়নমুখী জনপ্রতিনিধির স্মারকলিপি পেশ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে

সংস্কারমনস্ক,উন্নয়নমুখী জনপ্রতিনিধির স্মারকলিপি পেশ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে

পুরন্দর চক্রবর্তী ও দীপ সেন, সময় কলকাতা : এরকম কিছু করতে পারেন না, ভাবতেও পারেন না যে কোনও সাধারণ জনপ্রতিনিধি। অন্তত যা করতে পারেন বা করতে পারতেন স্থানীয় বিধায়ক অথচ যা বিধায়ক করেন নি তাই করে দেখাচ্ছেন বারাসাতের এক পুরপ্রতিনিধি তথা পুরপিতা। জনসেবা করার সদিচ্ছার অভাব যেন বহু জনপ্রতিনিধির। এঁদের মধ্যে ব্যতিক্রমী দেবব্রত পাল। বারাসাতের বিধায়ক কে যখন দেখাই যায় না তখন বিধায়কের যে যে কাজ করা উচিত তা যেন হৃদয়ের তাগিদে করে চলেছেন দেবব্রত পাল। বৃহস্পতিবার ও তার এরকম একটি কাজের নিদর্শন মিলল। বারাসাত রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা ও বারাসাতের একগুচ্ছ উন্নয়নের দাবি নিয়ে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন তিনি। উন্নয়নমুখী জনপ্রতিনিধির স্মারকলিপি সুনির্দিষ্ট ভাবে কী নিয়ে?

উল্লেখ্য, রেলে অজস্র মানুষ যাতায়াত করেন। কেন্দ্রীয় রেলের বেশকিছু উন্নয়ন সত্ত্বেও উত্তর ২৪ পরগনার সদর শহর বারাসাত থেকে ট্রেনে যাতায়াত করেন বহু মানুষ। অসংখ্য মানুষ বারাসাতে আসেন তবুও সাম্প্রতিক অতীতে দেখা গিয়েছে বারাসাত রেলস্টেশনের বেশ কিছু উন্নয়ন হলেও বহু সুবিধা যাত্রীদের অধরা। দুর্ঘটনাও ঘটে মানুষের, তাছাড়া বয়স্ক অসুস্থ মানুষরা যখন প্লাটফর্মে পৌঁছতে পারেন না স্বাভাবিক ছন্দে তখন মানুষের জন্য, মানুষের জীবনে ছন্দের জন্য কার্যত প্রচার বিহীনভাবে কাজ করে চলেছেন দেবব্রত পাল। বৃহস্পতিবার  রেলওয়ের বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ কে দেউসকরের সঙ্গে একগুচ্ছ জনমুখী ও উন্নয়নমুখী দাবি নিয়ে দেখা করলেন বারাসাতের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দেবব্রত পাল। স্মারকলিপি জমা দিলেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে।

পূর্ব রেলের জমা জেনারেল ম্যানেজারের কাছে জমা দেওয়া স্মারকলিপিতে শুধুই  মানুষের জন্য ভাবনার প্রতিফলন। প্ল্যাটফর্মের মধ্যে একটি চলন্ত সিঁড়ি বা এস্কেলেটর থাকলেও বারাসত শহরের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র কলোনি মোড় বা হেলাবটতলার থেকে মূল প্লাটফর্মে যোগাযোগ সংযোগকারী পাঁচ নম্বর প্লাটফর্মের দিকে কোন চলন্ত সিঁড়ি নেই। ব্যবহারের অযোগ্য একটি সাবওয়ে। ১৫ বছরের বর্তমান তৃণমূলের সময়কালের আগেই বাম আমলে পরিকল্পনাহীনভাবে কিছু উন্নয়নের প্রচেষ্টায় বারাসাত কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে দু ভাগে। আন্ডারপাস নেই সে অর্থে। বিভিন্ন দিক থেকে যেন একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে আছে বারাসাত রেল স্টেশন।অন্যদিকে, স্টেশনে আসার সময়ও একের পর এক ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। এনিয়ে কারো কোনো হেলদোল নেই। তাঁর রয়েছে। এসব সংস্কারের দাবি সহ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি পেশ করে দেবব্রত পাল বুঝিয়ে দিলেন, ক্ষুদ্রতর গণ্ডিতে আটকে থাকার ভাবনা না নিয়ে বৃহত্তর ক্ষেত্রে মানুষের উন্নয়ন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।।

About Post Author