সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৫ নভেম্বর :জলপাইগুড়িতে এসআইআর আতঙ্কে আবার মৃত্যুর অভিযোগ। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনা থেকেও এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর খবর এসেছে। এবারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল জলপাইগুড়িতে কারণ শুক্রবারও আরও একটি মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল এসআইআর আতঙ্ক ঘিরে। দুটি মৃত্যুর ক্ষেত্রেই মৃতরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই অভিযোগে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
রীতিমতো হইচই ফেলে এসআইআর এর কাজ চলছে রাজ্যজুড়ে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করছেন বিএলওরা। এর মধ্যেই এসআইআর আতঙ্কে বাংলায় ফের মৃত্যুর অভিযোগ। মৃত ব্যক্তির নাম কমলা রায়। ঘটনাটি ঘটেছ জলপাইগুড়ির সাতকুড়া এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ, ”২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকার পরেও আতঙ্কে ছিলেন।” বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে, এই আতঙ্ক কমলা রায়কে গ্রাস করেছিল। সেই কারণেই এই ঘটনা বলে দাবি পরিবারের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল জলপাইগুড়িতে। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে সাতকুড়া এলাকা। প্রায় ৪০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসেন কমলা রায়। একদা বাংলাদেশের সঙ্গে যোগসূত্র থাকায় এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই ভীত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য,শুক্রবারই এসআইআর আতঙ্কে আত্মঘাতী হন এক প্রৌঢ়। মেয়ের নামের ফর্ম না পেয়ে চরম পথ বেছে নেন ওই ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম ভুবনচন্দ্র রায়। জলপাইগুড়ির আমবাড়ির কামারভিটার বাসিন্দা তিনি। স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে সংসার তাঁর। জানা যায়, পরিবারের বাকিদের নাম এলেও SIR-এ তাঁর মেয়ের ফর্ম আসেনি। তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন ভুবন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ।


More Stories
ডিটেনশন ক্যাম্পে না যেতে চেয়ে ৬ জনের স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
নতুন তালিকা প্রকাশিত,কত লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের বিচার করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন?