দীপ সেন ও শুভদীপ মুদি : কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে দু দল ছাত্রের সংঘর্ষের পরে ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বেঘর হওয়ার পরে এবার তল্পিতল্পা গুটিয়ে কার্যত ছাত্রাবাস থেকে বিদায় করা হল আবাসিকদের। পড়ুয়াদের পক্ষে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে বারাসাত স্টেট ইউনিভার্সিটিতে।
উল্লেখ্য, গত মাসে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও এবিভিপির মধ্যে সংঘর্ষের পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বারাসাত স্ট্রেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রাবাস। এবার সেই ছাত্রাবাস থেকেই বের করে দেওয়া হল পড়ুয়াদের জিনিসপত্র। মঙ্গলবার পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রাবাস থেকে নিজেদের জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যান ছাত্ররা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, গত গন্ডগোলের পর ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। এরপর ওই পড়ুয়ারাই নিজেদের জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই তাঁদের ডেকে জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যদিও পড়ুয়াদের বক্তব্য, তাঁরা কোনও অনুমতি চাননি। ছাত্রাবাসের সুবিধা থাকবে জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পিএইচডি, কেউ এমএ, আবার কেউ এমএসসি করছেন। অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবাদের জেরে পড়াশোনার পাশাপাশি এবার ছাত্রাবাস নিয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। পড়ুয়াদের আরও অভিযোগ, কার্যত তাঁদের ছাত্রাবাস ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবব্রত মাইতির দাবি, পড়ুয়াদের অনুমতিতেই তাঁদের জিনিসপত্র ফেরত দেওয়া হয়েছে। সাধারণ সিদ্ধান্ত হিসেবেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে তিনি একথাও স্বীকার করে নেন যাবতীয় গোলযোগের সূত্রপাত দুদল ছাত্রের সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে যা তিনি উপাচার্য হিসেবে রাজনৈতিক বলতে পারেন না অথবা এবিভিপি টিএমসিপি সংঘর্ষ হিসেবেও ব্যাখ্যা করতে ইচ্ছুক নন। অর্থাৎ এক কথায়,বুঝহ সুজন যে জন জানহ সন্ধান।


More Stories
বারাসাতে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী, অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী
আবার বারাসাতে খেলতে নামছে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল
ডার্বির উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে , বড় ম্যাচে বড় পরীক্ষা পুলিশের