Home » বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কলকাতায় একের পর এক মৃত্যু,মামলা দায়ের নওশাদের

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কলকাতায় একের পর এক মৃত্যু,মামলা দায়ের নওশাদের

জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কলকাতায় একের পর এক মৃত্যু৷ এই ঘটনায় এবার কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি চান আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী৷ অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ।
লকাতা ফের ডুবল, আর তার সঙ্গে ডুবে যায় একের পর এক প্রাণ। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ফল বিক্রেতা, দৈনিক যাত্রী, সাধারণ পথচারী—কারও মৃত্যু হয়েছে খোলা তারে হাত লেগে, কারও আবার রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটির সংস্পর্শে এসে। অতিবৃষ্টিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু—শহরের পুরনো সমস্যা যেন আরও একবার নগ্ন হয়ে উঠল। সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে কলকাতার একাধিক এলাকা। শহর এবং শহরতলিতে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একের পর এক মৃত্যু। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আর্জি জানান তিনি। তাঁর দাবি, মৃতদের পরিবারকে সরকারি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং জানতে হবে, প্রতি বছর বর্ষায় একই দৃশ্য কেন ফিরে আসে ?

নওশাদের আর্জি, শহরে অতিভারী বৃষ্টিপাত হলেই কেন প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে, তা জানতে হবে। অতীতে এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সেই তথ্যও তুলে ধরতে হবে আদালতের সামনে। কার গাফিলতিতে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখার জন্য জুডিশিয়াল এনকোয়ারি কমিটি গঠনেরও আবেদন জানানো হয়েছে।

মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ। খুব শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে শুধু নওশাদই নন, মঙ্গলবারই বিষয়টি নিয়ে সরব হয় বাম-বিজেপি-কংগ্রেসও।
বাইটঃ শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্য সভাপতি, বিজেপি
যদিও, বিরোধীদের তোপের পাল্টা জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
যদিও, নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, রাজ্য সরকার দায় এড়িয়ে গেলে চলবে না। মানুষকে এর জবাব দিতে হবে।
আর রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেই এবার কলকাতা হাইকোর্টে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী৷ আইনজীবীদের মতে, জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময় আদালত চাইলে রাজ্য সরকার ও পুরসভার থেকে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করতে পারে। ফলে আসন্ন শুনানি ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে প্রশাসনিক মহলে। প্রশ্ন একটাই, প্রতি বছর একই ছবি কেন? আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে প্রশাসনের?

About Post Author