Home » শুভেন্দুর রক্ষাকবচ কাড়ল হাইকোর্ট, ভোটের আগে অস্বস্তিতে বিরোধী দলনেতা

শুভেন্দুর রক্ষাকবচ কাড়ল হাইকোর্ট, ভোটের আগে অস্বস্তিতে বিরোধী দলনেতা

হাইকোর্টে স্বস্তি-অস্বস্তিতে শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে নতুন FIR-এ কোনও বাধা রইল না। আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে FIR নয়, এই নির্দেশ প্রত্যাহার করে নিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।২০২১ থেকে যে রক্ষাকবচ পাচ্ছিলেন, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল।

২০২২-এ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রথম শুভেন্দুকে রক্ষাকবচ দেন। পরে তা বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্টও। ফলে গত চার বছর ধরে বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বা তদন্ত প্রায় স্থগিত ছিল। কারণ, হাই কোর্টের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতে পারেনি রাজ্য। বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠলেও পুলিশ এফআইআর রুজু করতে পারেনি। চাইলেও রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারেনি। এদিনের রায়ে সেই সুরক্ষার খারিজ হয়ে গেল।

এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানান, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রক্ষাকবচের যে রায় ছিল, সেটা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ। কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশই অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। তাই ওই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। যদিও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫ টি মামলা খারিজ করেছে আদালত। এছাড়া মানিকতলা-সহ মোট পাঁচটি মামলায় সিবিআই এবং রাজ্যের যুগ্ম SIT গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সিটে রাজ্য পুলিশের তরফে যতজন প্রতিনিধি থাকবেন, সিবিআইয়ের তরফেও ততজনই প্রতিনিধি থাকবেন।

একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অর্জুনের সিংকে নিয়েও। সম্প্রতি নেপাল ইস্যুতে উস্কানিমূলক মন্তব্য করায় ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ টি এফআইআর রুজু হয়। শুধু তাই নয়, একাধিক ইস্যুতে এপর্যন্ত মোট ৬১ টি মামলা দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই সমস্ত এফআইআর কে চ্যালেঞ্জ করে এবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অর্জুন। শুক্রবার এফআইআর খারিজের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। আদালত জানিয়েছে, অর্জুনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার মুরলীধর শর্মার অধীনে সিট এই মামলার তদন্ত করবে। তবে আগাম জামিনের আবেদন করতে পারবেন বিজেপি নেতা।

About Post Author