সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ এপ্রিল : নীতিশ কুমারের দীর্ঘ জমানার অবসান, তারচেয়েও বড় কথা এই প্রথম বিহারের বিজেপির কোনও নেতা মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসতে চলেছেন। বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন সম্রাট চৌধুরী। বুধবার(১৫ এপ্রিল ) সম্ভবত শপথ নেবেন সম্রাট চৌধুরী। সম্রাট চৌধুরী এতদিন বিহারের জোট মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন। তার মুখ্যমন্ত্রী হবা বিহারের রাজনীতিতে কোন বার্তা বয়ে আনবে?
নীতিশকুমারের দুই দশক ব্যাপী জমানার কার্যত অবসান। কিভাবে উত্থান সম্রাট চৌধুরীর?সম্রাট চৌধুরীর মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়া কি কি নতুন ইঙ্গিত বয়ে আনছে?
৫৭ বছর বয়সী মুঙ্গেরের সম্রাট চৌধুরী কইরি কুশাহওয়া সম্প্রদায়ের মানুষ এবং বিজেপির ওবিসি জাতিভুক্ত মুখ। তিনি বিতর্কিত তথাপি রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালী। তাঁর রাজনৈতিকভাবে উত্থান এমন একটি পরিবার থেকে যে পরিবার সম্পূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক বৃত্তের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার বাবা শকুনু চৌধুরী সাত বারের বিধায়ক বা সাংসদ, তাঁর মা একবার বিধায়ক হয়েছেন। ৯০ দশকের গোড়ায় রাজনীতিতে আসেন সম্রাট। আরজেডি -জেডিইউ হয়ে বিহারের দলবদল রাজনীতির স্বাভাবিক পরিক্রমা শেষে ২০১৮ সালে বিজেপিতে যোগদানের পূর্বে তিনি লালু পত্নী রাবড়ি দেবীর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। জাত পাতের রাজনীতির সমীকরণে সমৃদ্ধ বিহারে তিনি শুধুমাত্র জাতপাতভিত্তিক রাজনীতি করেই জনপ্রিয় নন। সম্রাট চৌধুরীর “খ্যাতি”বুলডোজার নীতি বা আগ্রাসী রাজনৈতিক শৈলীর জন্য যার সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের যোগী মডেল তুলনীয় এবং এই আগ্রাসী নীতি বিহারে রাজনৈতিকভাবে নতুন বার্তা বয়ে নিয়ে এনেছে। সম্রাট চৌধুরীর বিরুদ্ধে যতই বিতর্ক বা অভিযোগ থাকুক, ভূমি মাফিয়া বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে তিনি তার বুলডোজার নীতি প্রয়োগ করে বিহারের রাজনীতিতে অন্য মাত্রা এনেছেন। এবার তিনি অমিত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠলেন,তিনি এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।।


More Stories
আতস কাচের তলায় :গেলেন ধর্মেন্দ্র, এলেন প্রহ্লাদ
ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের দুটি দাবি মেনে নিল কেন্দ্রীয় সরকার