সময় কলকাতা ডেস্ক : তারাতলা বিপর্যয় কাণ্ডে একদিকে মৃত্যু মিছিল বেড়ে চলেছে আর এরমধ্যেই কালীচরণ ওরফে কালী গ্রেফতার হতেই কালীর কালা কার্তুত নিয়ে চর্চা চলছে। তারাতলা দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৫। উল্লেখ্য, তারাতলার নির্মীয়মান গোডাউনের টিনের শেড হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে এবং চাপা পড়েছিলেন অসংখ্য শ্রমিক। শুরু হয় তদন্ত । মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তথা তৎকালীন ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে ‘কালী ’-কে গ্রেফতার করা হয় । বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাঁকে জালে তোলে। কী বলেছিলেন শুভেন্দু? কে এই কালী?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন যে, কলকাতা সব ভবনের অনুমোদন মিলত কালীচরণে কথাতেই। তিনি বলেছিলেন, ‘কালীকে ধরলেই সব সামনে চলে আসবে। জানা গিয়েছে -রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে ভূমি রাজস্ব দপ্তর, তারপরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সার্ভিসে। পরে প্রশিক্ষণের সময়ে সেটা ছেড়ে ফের ফিরে যান ভূমি রাজস্ব দপ্তরে। ২০১০ সাল থেকে কলকাতা পুরসভায় কাজ শুরু করেন কালীচরণ। পরে ২০১৮ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র পদে বসেন ফিরহাদ হাকিম। তার পরে ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি পদে আসেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার অন্দরে বিশেষ ভাবে ক্ষমতাশালী ছিলেন তিনি। কলকাতা পুর এলাকায় কোনও বিল্ডিং প্ল্যান পাশের ক্ষেত্রে তাঁর অসীম প্রভাব ছিল। আর এই প্লেন পাশের ক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতি করেছেন কালীচরণ, এমনটাই অভিযোগ । ফিরহাদ হাকিম ঘনিষ্ঠ কালীর গ্রেফতারের জল কোথায় গড়ায় সেটাই দেখার!
কালীর কালা কার্তুত #কালীচরণ #ফিরহাদহাকিম
আরও পড়ুন : Firhad Hakim: “আমরা একদিন সংখ্যাগুরু হব…….” কলকাতার মেয়র ফিরহাদের বক্তব্যে বিতর্ক


More Stories
গভীর বিপাকে অরূপ বিশ্বাস, খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের
তারাতলায় উদ্ধারকার্য জারি , মৃত্যু বেড়ে ১০
তারাতলার কারখানার দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ৩