Home » ‘কচুবন থেকে ঘাসবনে গেছেন’: কাকে এমন বললেন শুভেন্দু?

‘কচুবন থেকে ঘাসবনে গেছেন’: কাকে এমন বললেন শুভেন্দু?

সময় কলকাতা ডেস্কঃ নজরুল মঞ্জে বিজেপির বহিঃস্কৃত নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। জয়প্রকাশ মজুমদারের দলবদল নিয়ে রাজ্যের বিরোধী নেতার প্রতিক্রিয়া উনি কচুবন থেকে ঘাসবনে গিয়েছেন।বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার বাবার শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার বনগাঁয় এসেছিলেন রাজ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।জয়প্রকাশ মজুমদারের তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে প্রথমে তিনি বলেন “এ বিষয়ে কিছু বলব না।” তারপর তিনি বলেন, “উনি কচুবন থেকে ঘাসবন এ গিয়েছে। তৃণমূলীরা তাই ওনাকে করিমপুরে কচুবনে ফেলে দিয়েছিল।” অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের মুখে মুখে জয়প্রকাশকে নিয়ে কটাক্ষ আগের লাথি ভুলে জয় প্রকাশ এখন তৃণমূলে।প্রসঙ্গত এর আগে জয় প্রকাশ মজুমদারকে দার্জিলিং এ বিজেপির হয়ে প্রচার করতে গিয়েও আক্রান্ত হতে হয়েছিল তৃণমুলের হাতে।

গত লোকসভা উত্তর ২৪ পরগনায় দুটি আসন জিতে ছিল বিজেপি।রাজ্য পুরভোটে বিজেপি ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায়।মতুয়া গড় বনগাঁয় দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “আমি এখানে এসে অনেককে জিজ্ঞাসা করলাম, আঙ্গুল দেখতে চাইলাম৷ আমাকে একজনও হাতে কালি দেখাতে পারিনি৷ না ভোটার, না প্রার্থী, না ইলেকশন এজেন্ট।পুরভোটে প্রহসন হয়েছে।” তাঁর দাবী কেন্দ্রীয় বাহিনীতে যখন ভোট হবে ভোটাররা সুদ-আসলে এই শোধ তুলে নেবে৷

শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য নিয়ে বনগাঁ তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর ও বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস বলেন,”ওনার চোখে সমস্যা হয়েছে ডাক্তার দেখানো উচিত। নয়তো এরপর মাথায় সমস্যা হবে।আর পুরভোট নিয়ে বনগাঁয় বিজেপির পক্ষ থেকে একটিও অভিযোগ করা হয়নি।”

About Post Author