Home » উৎসবের রাত নয়,ক্ষমা ও মুক্তির রাত শবেবরাত

উৎসবের রাত নয়,ক্ষমা ও মুক্তির রাত শবেবরাত

 

সময় কলকাতা ডেস্ক :

শবে বরাত মুক্তির রজনী। এই রাত ক্ষমার রাত। এই রাতে আল্লাহ তাঁর বান্দা অর্থাৎ তাঁর বিশ্বাসীদের ক্ষমা করে দেন।

এই রাতের ফজিলত বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও এক হাদিসে ব্যাখ্যা এসেছে, যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘শাবানের মধ্যরাতে আল্লাহ-তায়ালা তাঁর সৃষ্টির প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দেন। মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত সকল বান্দাদের ক্ষমা করেন।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৬৪৬)

উল্লেখ্য,শবে বরাত বা মধ্য-শা’বান বা লাইলাতুল বরাত হচ্ছে হিজরী শা’বান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে পালিত মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ রাত।উপমহাদেশে এই রাতকে শবে বরাত বলা হয়। ইসলামী বিশ্বাস মতে, এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষভাবে ক্ষমা করেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের অনেক মুসলমান নফল ইবাদাতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন করেন। অনেক অঞ্চলে, এই রাতে তাঁদের মৃত পূর্বপুরুষদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।বারো শিয়া মুসলিমরা, এই তারিখে মুহাম্মদ আল-মাহদির জন্মদিন উদ্‌যাপন করে।তবে সালাফিরা এর বিরোধিতা করে থাকেন।

এ রাতে আল্লাহ তাআলার কাছে নিজের গোনহা সমূহের বা পাপের ক্ষমা চেয়ে, তাওবা করে গোনহা মুক্ত হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। ইসলামী ধর্মমতে,এ রাতে বেশি বেশি নফল ইবাদত, কুরআন তেলাওয়াত, কাজা নামাজসমূহ আদায়সহ অন্যান্য জিকির-আজকার করা যেতে পারে।

এই রাত ক্ষমার রাত।শবে বরাতের নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত বা নামাজ নেই। এদিনে ফজিলত মনে করে ভালো কোনো খাবারের আয়োজন করা বা খাওয়া উচিত নয়, এগুলো বিদআত, ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই।  অনেকেই রোযা পালন করে থাকেন।এই রাতকে কেন্দ্র করে কোনোরকম আনন্দ উদযাপন, আতশবাজী করা, মসজিদে-কবরস্থানে আলোকসজ্জা করা এসবই বিদআত অর্থাৎ এসমস্ত কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকা চাই।।

About Post Author