Home » হিমঘরে আলু রাখতে এসে রাস্তাতেই দিন কাটছে আলুচাষিদের

হিমঘরে আলু রাখতে এসে রাস্তাতেই দিন কাটছে আলুচাষিদের

সময় কলকাতা ডেস্কঃ হিমঘরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আলু রাখতে না পেরে তিন থেকে চারদিন ধরে রাস্তাতেই দিন কাটছে শতাধিক আলুচাষিদের। প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার রাস্তার ধারে আলু মজুত করা যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে গিয়েছে। আবার অধিকাংশ কৃষক এখনো বন্ড পাননি। হিমঘরে আলু রাখতে গিয়ে এখন রীতিমতো কপালের ঘাম ঝরছে চাষিদের। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর, তপন, কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, রামপুর, বাউল ও বোল্লা, বালুরঘাট এবং হিলি ব্লকের আলুচাষিরা সমস্যায় পড়েছেন।

হাতে গোনা পাঁচ ছয়টি হিমঘর রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। বেশির ভাগই রয়েছে গঙ্গারামপুরের দিকে। তবে কোনটাই সরকারি নয়, প্রাইভেট ও কো-অপেরেটিভ পর্যায়ে গড়ে তোলা এই হিমঘরগুলি। সেগুলি পরিকাঠামোর দিক থেকেও উন্নত নয়। যেখানে মালিকদের লাভের থেকে লোকসানটাই বেশি হয় বলে জানান চাষিরা।

এইসব হিমঘরে তিন থেকে চারদিন ধরে আলু নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন প্রকৃত চাষিরা। অভিযোগ, অপরদিকে লাইনে আলু না রেখেই হিমঘরে আলু রেখে চলে যাচ্ছে একশ্রেনীর মানুষ। চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকার প্রকৃত চাষিরা। কেউ কেউ আলু রাখার বন্ড পেয়েছেন ঠিকই, তবে হিমঘরে আলু নিয়ে গিয়ে দুই তিন রাত জেগে রয়েছেন। হিমঘর থেকে তিন চার কিলোমিটার পর্যন্ত আলু মজুত করা যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। আবার অধিকাংশরা এখনও বন্ড পাননি। এমনি অভিযোগ তুলে বেশ কয়েকবার হিমঘরের সামনে ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান আলুচাষিরা। হিমঘর কতৃপক্ষের সাথে তাদের বিবাদ শুরু হয়। হিমঘরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখান রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা আলুচাষিরা। অভিযোগ, তাতেও হেলদোল নেই প্রশাসনের।

এই বিষয়ে কৃষি বিপণন দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র জানান, দক্ষিণবঙ্গে সরকারি স্তরে কয়েকটি হিমঘর থাকলেও উত্তরবঙ্গে কোন জেলাতেই সরকারি স্তরে হিমঘর নেই। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বেসরকারি উদ্যোগে হিমঘর থাকলেও আমাদের জেলায় অনেক কম রয়েছে হিমঘর। তাদের মজুত ভান্ডারের পরিমান কম হওয়ায় এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এছাড়াও বেসরকারি সংস্থাকে হিমঘর গড়ার আহ্বান জানান পাশাপাশি তাদের দ্রুত লাইসেন্স প্রদান ও আর্থিক সহয়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

About Post Author