সময় কলকাতা ডেস্ক: ১২ এপ্রিল, বালিগঞ্জ বিধানসভায় উপনির্বাচন। তাই রবিবার শেষ প্রচারে ঝড় তুলতে সকাল থেকেই রাস্তায় নামলেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থী। শেষ প্রচারে এক ইঞ্চিও ছাড়তে নারাজ কেউ। কেউ হেঁটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করেন আবার কেউ রোডশো করে শেষ দিনে দ্রুত বেশি এলাকা ঘুরে প্রচার সারেন।তবে প্রচারের ধারে ও ভারে অন্যদের তুলনায় এদিন বেশ কিছুটা এগিয়ে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়।
প্রয়াত পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর জনপ্রতিনিধি শূন্য হয় বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্র কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে একটা হেভিওয়েট কেন্দ্র। রবিবার ছুটির দিন, প্রখর দাবদাহের মধ্যেও দুই যুযুধান পক্ষ,বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেস সকাল থেকেই তাদের প্রার্থীদের নিয়ে প্রচার শুরু করেছে। শেষ প্রচারের ঝড় তুলতে তৃণমূল কংগ্রেসের বাবুল সুপ্রিয়ের প্রচারে নামেন দেবাশীষ কুমার। রোড শো থেকে বিজেপি প্রর্থীকে ভোট দোওয়ার জন্য জনগনের আকে আবেদন করেন তিনি।

অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষের হয়ে প্রচারে নামেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। মহানগরের প্রচারেও বগটুইকে ইসু হিসাবে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি বাবুল সুপ্রিয়ের দলবদল নিয়ে তাঁকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি নেত্রী। পাশাপাশি তাঁর দাবি বালিগঞ্জের মানুষ বিজেপি প্রার্থীর পক্ষেই তাঁদের রায় দেবেন।

তৃণমূল ও বিজেপির মতোই এদিন সকাল থেকে মাঠে নেমেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা হালিম। এদিন সকাল থেকেই দলের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে পদযাত্রা ও বাড়ি বাড়ি প্রচারকে হাতিয়ার করেছেন। বর্ণাঢ্য পদযাত্রায় প্রচারের শেষ দিন ঝড় তোলেন।

সদ্য শেষ হওয়া পুরসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে সবুজ ঝড় বয়েছে। তাই আসন্ন উপনির্বাচনেও সেই সবুজ ঝড় অব্যহত থাকবে নাকি গেরুয়া প্রাচীর ঝড় আটকাতে পারবে তা সময়ই বলবে।


More Stories
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
বোমা-বন্দুক আনব, তৃণমূল নেতাদের গণপিটুনির হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের