সময় কলকাতা ডেস্ক: আজ নীল ষষ্ঠী। আর এই নীল ষষ্ঠী উপলক্ষে প্রচলিত রীতি মেনে শিব পুজো করা হয়। তেমনি বিভিন্ন জায়গায় প্রচলন রয়েছে গাজন উৎসবের। বুধবার সকালে গাজন উৎসব উপলক্ষে ৭০০ বছরের পুরনো রীতি মেনে রুদ্রদেব মন্দিরের ভক্তরা মড়ার খুলি নাচালো কান্দির রুপপুর এলাকার বাবার বাড়ি অর্থাৎ রুদ্রদেব মন্দির প্রাঙ্গণে।

মড়ার খুলি নাচানোর এই রীতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে কান্দির গাজন উৎসবে। মড়ার খুলি নাচানো দেখতে মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয় হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। এদিন, ভক্তরা এই মন্দিরে প্রাচীন রীতি মেনে সঙ সেজে নাচ করেন এবং বাবা রুদ্রদেবের বিগ্রহকে বাবার বাড়ি মন্দির থেকে পালকি করে শোভাযাত্রার মাধ্যমে শহর পরিক্রমা করে কান্দির হোমতলা মন্দিরে নিয়ে আসে। বাবার মাথায় জল গেলে সেখানেই বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়।পাশাপাশি মন্দিরে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য মোতায়েন ছিল কান্দি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

বাবা রুদ্রদেবের গাজন উৎসবের পরের দিন অর্থাৎ চড়ক পুজোর দিন সকালে আবার রুদ্রদেবের বিগ্রহ একইভাবে পালকিতে শহর পরিক্রমা করে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রুদ্রদেবের নিজস্ব মন্দির বাবার বাড়ি মন্দিরে। পালকিতে করে রুদ্রদেবকে নিয়ে আসা এবং পরেরদিন পালকিতে করে রুদ্রদেবকে নিয়ে যাওয়ার শোভাযাত্রা দেখতে রাস্তার দুধারে ভিড় জমায় কান্দির আট থেকে আশি সকলেই।

সব মিলিয়ে গাজন উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয় কান্দি শহরে। এই রুদ্রদেবের গাজন উৎসব উদযাপনের দায়িত্ব পালন করেন কান্দি শহরের সাধারণ মানুষরাই । অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও গাজন উৎসবকে কেন্দ্র করে সেজে উঠেছে কান্দি শহর।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?