সময় কলকাতা ডেস্কঃ দিনের পর দিন ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। বেলা দশটার পর বাড়ি থেকে বেরোলেই খেতে হচ্ছে রোদের হলকা হাওয়ার ছেঁকা।।তবে কাজের জন্য তো বেরোতেই হবে।কেননা এই কাজের মধ্য দিয়েই আমরা বেঁচে থাকি।তবে খেটে খেতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন নিজে সুস্থ থাকা।তাই নিজের স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনরকম আপোস করা চলবে না।বরং খেয়াল রাখতে হবে এই গরমের দিনে তীব্র দাবদাহে যাতে শরীরে জলের ঘাটতি না থাকে।দিনে অন্তত পক্ষে ৩-৪লিটার জল পান করতেই হবে। তবে শুধু জলপান করলেই হবে না।পাশাপাশি সারাদিনে গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে কিছু পানীয় পান করতে পারেন।

নারকেলের জল
নারকেলের জল খুব স্বাস্থ্যকর একটি পানীয়।গ্রীষ্মকালে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে নারকেলের জল।এটি পুষ্টিতে ভরপুর।এটি ফাইবার,ক্যালসিয়াম,ম্যাগ্নেশিয়াম,আয়রন এবং সোডিয়াম সমৃদ্ধ।গরমে শরীরকে সুস্থ রাখতে নারকেলের জল খুবই উপকারি,কেননা এটি ইলেক্ট্রোলাইটের একটি বড় উৎস।

আম পান্না
আম পান্না একটি স্বাস্থ্যকর এবং খুব জনপ্রিয় পানীয়।গ্রীষ্মকালে এটি কমবেশি আমরা সবাই খাই।এটি শুধু সুস্বাদু নয় এটি স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী।এটি ভিটামিন এ,বি১,ব২,সি এবং পটাশিয়াম,সোডিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ।এটি গরমকালে ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

বেলের শরবত
বেলের শরবত একটি ডিটক্স পানীয়।গরমকালে এটি শরীরকে ঠাণ্ডা ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।এটি অনেক ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ।বেলের শরবত গ্রীষ্মকালের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়।এই শরবত হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।পাশাপাশি এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
দইয়ের ঘোল
দইয়ের ঘোল একটি প্রোবায়োটিক পানীয়।তীব্র গরমে এটি শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে।দই,ভাজা জিরে গুঁড়ো,বিট লবন দিয়ে এটি সাধারণত বানানো হয়ে থাকে।দইয়ের ঘোল পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

ছাতুর শরবত
ছাতু আমরা কম বেশি সবাই খাই।এটি আমাদের দেশের একটি সুপারফুড।ছাতুকে শক্তির পাওয়ার হাউস ও বলা হয়ে থাকে।এটি আয়রন,ম্যাগনেসিয়াম,ম্যাঙ্গানিজ,এবং প্রোটিনে সমৃদ্ধ।এছাড়াও ছাতুতে রয়েছে ফাইবার।যা পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে ব্যাপক সাহায্য করে।


More Stories
পিঠে খেলে পেটে সয় : বাংলার ভাপা পিঠে ঐতিহ্য
ট্রাম্পের ট্যারিফে দুর্বল হবে বিশ্ব অর্থনীতি, ঊর্ধ্বমুখী হবে মুদ্রাস্ফীতি: আইএমএফ
১৩ হাজার বছর আগে লুপ্ত হওয়া প্রাণী, ফিরে এলো পৃথিবীতে