Home » শহীদ মিনারে একই মঞ্চে বাম ও রামের যুগলবন্দী, শাসক দলের কথাই কি সত্য হল ! প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

শহীদ মিনারে একই মঞ্চে বাম ও রামের যুগলবন্দী, শাসক দলের কথাই কি সত্য হল ! প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

সময় কলকাতা ডেস্কঃ খেলা হবে স্লোগানে বিধানসভা নির্বাচনে বাজিমাত করে ছিল রাজ্যের শাসক দল।২০১৯ সালের বাম ও রামের যুগলবন্দীতেই পদ্ম শিবির রাজ্যে এত বেশী লোকসভার আসন জিততে পেরেছিল।এই অভিযোগ ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের।আর রবিবার রাতে শহীদ মিনার প্রমান দিল রাজ্য়ের শাসক দলের অভিযোগের সারবত্তার।সদ্য উপনির্বাচনে ধরাশায়ী রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি।বরং বলা ভাল বিধানসভা থেকে মুঝে যাওয়া রাজ্যের বাম শক্তিকে অক্সিজেন জুগিয়েছে এই উপনির্বাচন। দেশে ও রাজ্যে ধর্ম নিরপেক্ষতার প্রশ্নে বিপরীত মেরুতে থাকা বিজেপি ও সিপিআইএমকে এক মঞ্চে দেখা গেল রবিবার রাতে শহীদ মিনারে।বিজেপির রাজ্য সভাপতির পাশে বসে থাকতে দেখা গেল চমকপ্রদ লড়াই দেওয়া বালীগঞ্জ উপনির্বাচনে বিজিত সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে।

রাজনীতির রং আলাদা। মতাদর্শগত ভাবেও একে অপরের বিপরীত ধর্মী অবস্থান সম্পর্কে দেশবাসী সবটাই জানে। ধর্মীয় বিভাজন এর বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিউনিস্ট বলে দাবিদাররা নাকি একে অপরের ছায়াও মারান না বলে কথিত আছে। শহীদ মিনারের পাশে এসএসসি কর্মশিক্ষা ও শারীশিক্ষা হবু শিক্ষকদের অনশন মঞ্চে একসাথে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বালিগঞ্জ উপ নির্বাচন কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে।

রবিবার সিপিআইএম নেত্রী সায়রা শাহ হালিমকে চাঁচাছোলা ভাবে হিন্দী ও ইংরাজী মিশিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্য সরকারকে। তিনি দাবি তোলেন শিক্ষিত যুবক ও তাঁদের ডিগ্রির সম্মান রাখুক রাজ্য সরকার। এদিন ওই একই মঞ্চে  বসে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।তিনি এই দিন বলেন রাজ্য সরকার বিধান সভা নির্বাচনের আগে খেলা হবে স্লোগান তুলে ছিল।বোমা গুলির খেলা না করে এই সব শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের প্যানেল ধরে ধরে নিয়োগ করলে অন্য রাজ্যের ছেলে মেয়েদের মত এই রাজ্যের ছেলে মেয়েরাও অলিম্পিক থেকে সোনা রুপ জিতে আনতে পারবে।সেই সঙ্গে রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগের দূর্নীতি নিয়েও তিনি সোচ্চার হন।তবে রবিবার রাতে রাম কিম্বা বাম কোন শিবিরই মানতে চান নি রাজ্য  রাজনীতিতে তাদের নৈকট্যের কথা।

About Post Author