Home » আগ্রাসন চালিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সনদের অবমাননা করেছে রাশিয়া, দাবি রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের

আগ্রাসন চালিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সনদের অবমাননা করেছে রাশিয়া, দাবি রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের

সময় কলকাতা ডেস্ক: ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতোই সরব হয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।রাষ্ট্রসংঘের প্রধান অ্যান্তনিও গুতেরেসও স্পষ্টতই জানিয়েছিলেন যে, আগ্রাসন চালিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সনদের অবমাননা করেছে রাশিয়া। এই পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহেই মস্কো যেতে চলেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রধান।

সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে খবর, আগামী সোমবার মস্কো যাচ্ছেন অ্যান্তনিও গুতেরেস। সেখানে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের মুখপাত্র এরি কানেকো জানিয়েছেন, রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে আহারপর্ব ও বৈঠকে শামিল হবেন গুতেরেস।ক্রেমলিনের তরফে জানানো হয়েছে, গুতেরেসের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। আগামী মঙ্গলবার এই বৈঠক হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মস্কোর পর কিয়েভের উদ্দেশে রওনা দেবেন গুতেরেস। সেখানে আগামী বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও বিদেশমন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবার সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপরই আমেরিকা ও পশ্চিমের দেশগুলি উদ্যোগে রাষ্ট্রসংঘে একাধিক নিন্দা প্রস্তাব পেশ হয় রাশিয়ার বিরুদ্ধে। রাশিয়ার এই কাজের তীব্র নিন্দা করেছে বিশ্বের একাধিক দেশ। রাষ্ট্রসংঘের প্রধান অ্যান্তনিও গুতেরেসও স্পষ্টতই জানিয়েছিলেন যে, আগ্রাসন চালিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সনদের অবমাননা করেছে রাশিয়া। সূত্রের খবর তারপর থেকেই গুতেরেসের ফোন ধরছিলেন না পুতিন। এহেন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত ভাবে দেখা করতে চেয়ে পুতিনকে চিঠি পাঠান গুতেরেস। ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি বলে খবর। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ রাষ্ট্রসংঘের অস্তিত্বের ক্ষেত্রেও আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, এই যুদ্ধ নিয়ে পাঁচ সদস্যেরর নিরাপত্তা পরিষদ দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। একদিকে রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স। অন্যদিকে, রাশিয়া ও চিন।

এই পরিস্থিতিতে, রাষ্ট্রসংঘের  ভূমিকার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রাশিয়া কারও কথাতেই ভ্রূক্ষেপ করেনি। ফলে বাড়ছে আতঙ্ক। সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষই ইউক্রেনের অসহায় নাগরিকদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন। এমনকী রাশিয়াতেই রাজপথে নেমেছে যুদ্ধের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা জনতা। তবু রাষ্ট্রসংঘ কেবল আরজির পথেই রয়েছে। অর্থসাহায্যের ঘোষণা করলেও রাশিয়াকে রুখতে না পারায় প্রশ্ন উঠছে বিশ্ব রাজনীতিতে তাদের ভূমিকা ও প্রভাব নিয়েও।

 

About Post Author