সময় কলকাতা ডেস্কঃ ২০৩৬ এ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এমনটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এবং সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান কুনাল ঘোষ।মঙ্গলবার আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দারও একই কথা জানিয়েছেন।যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।আর তারই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ষড়যন্ত্র চলছে বলে নতুন জল্পনা উস্কে দিলেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।প্রতিদিনের মতো বুধবারও নিউ টাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে তিনি কটাক্ষের সুর তুলে বলেন,‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জায়গা ছাড়ছেন না।তাতেই দমবন্ধ হয়ে আসছে অভিষেকের।তাই এসব করানো হচ্ছে।পাশাপাশি তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে আরও বলেন যে,‘২০১৯ থেকে দিদি প্রধানমন্ত্রী হবে বলে ব্যানার লাগিয়ে ব্রিগেডের সভা করে আওয়াজ দেওয়া হয়েছিল দিদিকে দিল্লী পাঠাবার জন্য।গত জানুয়ারিতেও ইলেকশনের সময় নন্দীগ্রামও হাওয়া দেওয়া হলেও ওখানকার লোক হারিয়ে দিল।ওনার বোঝা উচিত ছিল যে তার পার্টির লোকেরা তাকে চাইছে না মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে।কিন্তু তিনি পিছনের দরজা দিয়ে আবারও মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গেলেন।’
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।তার বাংলা সফর নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন,‘ বঙ্গ বিজেপি লড়াই করে রাস্তায় নেমেছে।এজন্য কেন্দ্রীয় নেতারা খুশি।তাই তারা একেএকে বাংলায় আসছেন।এরপর বাকি নেতারাও রাজ্যে আসবেন এবং আমাদেরকে তারা গাইড করবেন।’এরপর কি রাজ্যে আসবেন নরেন্দ্র মোদি,জে পি নাড্ডা?বুধবার তেমনই জল্পনা উস্কে দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।
এছাড়াও তৃণমূলের তরফ থেকে জুটশিল্প নিয়ে যে প্রতিবাদ মিছিল হওয়ার কথা রয়েছে সেই প্রসঙ্গেও কটাক্ষের সুর চড়িয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন।”ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ ১১ বছর পর শাসক দলের কেন জুটশিল্প নিয়ে আন্দোলনের কথা মনে পড়েছে” ।পাশাপাশি তিনি বলেন, “সিপিআইএমের আমল থেকেই সবাই মিলে আন্দোলন করে বন্ধ করেছে জুটশিল্প।আজকে কি আর কোনো ইস্যু নেই নাকি পার্টির মধ্যে ঝগড়া ধর্ষণ খুন দিয়েই মিডিয়া ভরে যাচ্ছে।তাই মিডিয়াকে মুভ করাবার জন্য পাবলিক এর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য রাস্তায় নামছে শাসক দল।আমার মনে হয় ইস্যু পাল্টাবার জন্যই এসব করা হচ্ছে।”


More Stories
কার্যত ভুল স্বীকার করে নিলেন অভিষেক, সুর নরম কল্যাণের, অভিষেক – কল্যাণ বিবাদ মিটল!
২৮ বছর পরে কংগ্রেসে কি ফিরবেন মমতা?
কালীঘাটে মমতার বাড়ির দোরগোড়ায় সিআইডি