সময় কলকাতা ডেস্ক : রক্তপাতের যেন বিরাম নেই, আবার রক্তস্নাত উত্তর চব্বিশ পরগনা। আবার আগ্নেয়াস্ত্র থেকে ছুটে আসা গুলিতে খুন । এবার খুন হলেন এক জমি ব্যবসায়ী। সোমবার রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার দত্তপুকুরের কাশেমপুরে এক ব্যক্তির খুনকে ঘিরে ছড়িয়েছে চাপা উত্তেজনা ।ঘটনাস্থলে দত্তপুকুর থানার পুলিশ।
একই দিনে দ্বিতীয় খুন।সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার পরে এবার দত্তপুকুর।আবার শুট আউট এবং খুন। তবে এবার রাজনৈতিক নেতা নয়।খুন হলেন এক মধ্যবয়সী জমি ব্যবসায়ী মন্মথ মন্ডল। উল্লেখ্য, মৃতব্যক্তি কিছুদিন আগেও রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় ছিলেন।

কয়েকদিন আগেই ব্যারাকপুর এলাকাতেও বিরিয়ানির দোকানে চলেছে এলোপাথাড়ি গুলি। এরকমই আবহে সোমবার দত্তপুকুরের নতুনপাড়া- খেজুরতলায় রাত সাতটা নাগাদ সাইলেনসার লাগানো রিভলবার থেকে দুটি গুলি করে খুন করা হয় মন্মথ মন্ডলকে।খুনের কারণ নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে চলছে অনুমান ভিত্তিক চৰ্চা।স্থানীয় মানুষ ও মৃতের আত্মীয়রা জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তি জমির দালাল ছিলেন ,একসময় বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক সংস্রব ছিল না ।ফলে ব্যবসায়িক আক্রোশের ফলেই মন্মথ মন্ডল খুন হয়ে থাকতে পারেন বলেই অনুমান করছেন স্থানীয় মানুষজন।
মৃতের এক জল সরবরাহকারী আত্মীয় জানিয়েছেন, মন্মথ মন্ডল তাঁকে সন্ধ্যায় ফোন করে তাঁর বাড়িতে জল দিতে ডাকেন।একঘন্টা পরে জল সরবরাহকারী ওই জমি ব্যবসায়ীর বাড়ি যেতে গিয়ে দেখতে পান আক্রান্তকে। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তিনি দেখেন যে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাস্তায় নিস্পন্দ ও রক্তাপ্লুত হয়ে পড়ে আছেন মন্মথ মন্ডল । পরবর্তীতে তড়িঘড়ি বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হ’লেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ।খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, নাকি ব্যক্তিগত? ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় একদিকে রক্তের ধারা, অন্যদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কিছু তাস। ঘটনার তদন্ত করছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ , ঘটনার ফলে এলাকায় রয়েছে চাঞ্চল্য।


More Stories
দুশ্চিন্তার দিন শেষ! আয়ুষ্মান কার্ড এখন হাতের মুঠোয়
আমডাঙায় ফুড প্লাজা ভাঙচুর, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে
চুরমার বারাসাতের তৃণমূল নেতা অরুণ ভৌমিকের বাড়ি ও পার্টি অফিস, মেরে ফেলা হতে পারে আশঙ্কা স্ত্রীর