সময় কলকাতা ডেস্কঃ ১২ জুলাই জলপাইগুড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মিসভা ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু, সভার আগে সভার মাঠ ঘিরেই শুরু রাজনৈতিক তরজা। ১২ জুলাই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে কর্মিসভা রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার, এই দুই জেলার কর্মীরাই উপস্থিত থাকবেন এই সভায়। সভার জন্য ধূপগুড়ির পুর ফুটবল ময়দানকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে, মাঝপথেই সভার মাঠ ঘিরেই শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের মতে, পুরসভার নির্দেশিকাতে রয়েছে, খেলার মাঠকে শুধুমাত্র খেলার জন্য ব্যবহার করা হবে। মাঠে কোনও রকম অনুষ্ঠান বা কোনও রাজনৈতিক সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে অভিযোগ, পুরসভার পক্ষ থেকে কোনও প্রকার আলোচনা না করেই সভায় অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তা ঘিরেই শুরু বিতর্ক।

মঙ্গলবার ৪ বিরোধী কাউন্সিলরের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয় পুরসভায়। বিষয়টি নিয়ে সরব বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, একনায়কতন্ত্র চলছে। পাশাপাশি, সরব হয়েছে জেলা সিপিএম নেতৃত্ব। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই খেলার মাঠ নষ্ট হওয়ায় আশঙ্কায় স্কুল পড়ুয়ারাও। যদিও, মাঠের ক্ষতি যাতে না হয়, সেদিকে নজর রেখেই সভার আয়োজন করা হচ্ছে। সভার সমর্থনে যুক্তি দিয়েছেন ধূপগুড়ি পুরসভার উপপুরপিতা থেকে শুরু করে শাসকদলের নেতৃত্ব। তাঁদের মতে, বর্ষার জন্য বিকল্প মাঠ খুঁজে না পাওয়াতেই সভার জন্য ফুটবল ময়দানকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে, প্রতিটি রাজনৈতিক সভার ক্ষেত্রেই ক্ষতিপূরণ দিয়েই মাঠকে সভাপ্রাঙ্গণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কিনা সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী