Home » পঞ্চায়েত অফিসে তালা খোলা নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড

পঞ্চায়েত অফিসে তালা খোলা নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড

সময় কলকাতা ডেস্কঃ নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের সোনাচূড়া ১০ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের বিজেপির লাগানো তালা খোলা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা। পঞ্চায়েত অফিসের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি সমর্থকদেরর। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের হটাতে গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রবল উত্তেজনা।
প্রসঙ্গত,৬  আগস্ট গভীর রাত পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের সোনাচূড়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের ভেতর গোপনে কাজ করার অভিযোগ উঠেছিল পঞ্চায়েতেরই একদল কর্মীর বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, ওই দিন গভীর রাত পর্যন্ত পঞ্চায়েত অফিসে শুধু পঞ্চায়েতের কর্মীরাই নয়,সেদিন রাতে তৃণমূল কর্মীরাও পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যে ছিলেন। কার্যত সে কারণেই পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি সমর্থকেরা। এদিন রাতের বেলায় পঞ্চায়েত অফিসে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে।


শুক্রবারের পর মাঝে শনি ও রবি,দুদিন ছুটি থাকায় সোমবার তালা খুলে পঞ্চায়েত অফিস খুলতে গেলে বাধা দেয় বিজেপি কর্মীরা। পঞ্চায়েত অফিসের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তারা। খবর পেয়ে ঘটনস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। জোরপূর্বক বিক্ষোভকারীদের হটাতে গেলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। বিজেপির দাবি, ঘটনাস্থলে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের বিডিওকে উপস্থিত হতে হবে। কেন অফিস রাত পর্যন্ত খোলা ছিল তার কারণও জানাতে হবে। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনার পারদ চড়তেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।


বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যে ইনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের তৎপরতা এবং সিবিআই তৎপরতার পর রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা ও শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন শ্রীঘরে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বহু নেতাই এখন আতঙ্কে রয়েছেন । ফলে বিরোধীদের অভিযোগ, বিভিন্ন পঞ্চায়েত থেকে তথ্য এবং ফাইল লোপাট করার প্রচেষ্টা চলছে। এর আগেও দেগঙ্গার নুরনগর পঞ্চায়েতে রাতের বেলায় পঞ্চায়েত অফিসে কাজ করা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছিল মাথাভাঙ্গাতেও একাধিক পঞ্চায়েতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করা নিয়ে। ফলে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের সোনাচুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করা নিয়ে বিজেপির অভিযোগের তীর সরাসরি শাসকদলের দিকে।

About Post Author