Home » মেয়ের চাকরি নিয়ে মুখ খুললেন অনুব্রত

মেয়ের চাকরি নিয়ে মুখ খুললেন অনুব্রত

সময় কলকাতা ডেস্কঃ গরু পাচার মামলায় সিবিআই হেফাজতে যাওয়ার পর এই প্রথমবার মুখ খুললেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেস থেকে আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ম না মেনে মেয়ের চাকরি হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করতেই কার্যত ক্ষেপে গেলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা। এদিন মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অনুব্রত মণ্ডল সাফ জানিয়ে দেন, ‘তাঁর মেয়ে সুকন্যার সব সার্টিফিকেট আছে। তিনি সব পাস করেছেন। মেয়েকে তলব করেনি আদালত। তাঁকে শুধুমাত্র নথি জমা দিতে বলেছে।’ পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এদিন কার্যত মেজাজ হারান অনুব্রত। তিনি বলেন,’মেয়ে কীভাবে চাকরি পেয়েছে কোর্ট বুঝবে। আপনাকে কেন বলবো? আপনি কোন হরিদাস পাল! ’ অন্যদিকে এদিনই টেট পাশের সমস্ত নথিপত্র সহ আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের।


বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ বোলপুর থেকে রওনা হন সুকন্যা। বেলা বারোটা নাগাদ কলকাতার চিনার পার্কে অনুব্রত মণ্ডলের ফ্ল্যাটে ওঠেন তিনি। টেট পরীক্ষায় পাশ না করেও কীভাবে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছেন, তা নিয়ে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল সহ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পাঁচজনকে ডেকে পাঠিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এই প্রসঙ্গে বুধবার হাইকোর্টে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তিনি আদালতে অতিরিক্ত হলফনামা জমা দিয়ে সুকন্যার চাকরির বিষয়টি জানান। এরপরই সুকন্যাকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।


সূত্রের খবর,সুকন্যা মণ্ডল একসঙ্গে দুটি চাকরি করতেন। একটি সরকারি, অন্যটি বেসরকারি। সুকন্যার একটি ‘আনভেরিফায়েড’ ফেসবুক প্রোফাইল খুঁজে পাওয়া যায়। সেই অ্যাকাউন্ট অনুযায়ী, ২০১৬ সালেই দুটি চাকরি পেয়েছেন সুকন্যা। প্রথমে তিনি যোগ দেন বীরভূমের ‘ভোলে বাবা রাইস মিল’ নামে একটি সংস্থায়। পরে ২০১৬ সালে যোগ দেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা দফতরে।

About Post Author