Home » সম্পূর্ণ হল কালনা সেতুর নির্মাণ কাজ

সম্পূর্ণ হল কালনা সেতুর নির্মাণ কাজ

সময় কলকাতা ডেস্কঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে পদ্মা সেতুর পর এবার সর্বসাধারণের জন্য চালু হতে চলেছে কালনা ব্রিজ। ফরিদপুর ও নড়াইল জেলার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত মধুমতী নদীর ওপর নির্মিত কালনা সেতু। এশিয়ান হাইওয়ের ওপর অবস্থিত এটি।এই সেতুর পরিষেবা শুরু হলে ঢাকার সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার কমবে বলেই জানা গিয়েছে। শুধু যাত্রী নয়, পরিবহণ খরচেও বিপুল সাশ্রয় হবে। এমনকী শুধু জাতীয় ক্ষেত্রেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে এই কালনা সেতু।
সেতুর মূল নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। আলোর ব্যবস্থা ও দৃষ্টিনন্দন কাজ চলছে। সূত্রের খবর,আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে যাচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তারিখ ঘোষণা করা হলেই সেতুর উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে। কলকাতা-ঢাকা যাতায়াতকারী এবং গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, নড়াইল, যশোর, বেনাপোল, সাতক্ষীরা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলার কোটি কোটি মানুষ এখন সেতুর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘কালনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কালনাঘাট থেকে ঢাকার দুরত্ব মাত্র ১০৮ কিলোমিটার। ফলে ঢাকার সঙ্গে নড়াইল, বেনাপোল, যশোর, খুলনা সহ আশেপাশের সড়কের দূরত্ব ৮৬ কিলোমিটার কমে যাবে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির অর্থায়নে কালনা সেতু নির্মিত হয়েছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১ মিটার। দুই পাশে ছয় লেনের সংযোগ সড়ক প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার। সেতু নির্মাণে মোট ৯৬০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সিলেটের তামাবিল হয়ে ঢাকা, ভাঙ্গা, নড়াইল, যশোর, বেনাপোল, কলকাতা পর্যন্ত সরাসরি ভূমিকা রাখবে কালনা সেতু। কালনা সেতু চালু না হওয়ায় ফেরি পার এড়াতে বহু বাস ও অন্যান্য যানবাহন ফরিদপুর, মাগুরা এবং গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ঘুরে কলকাতায় যেতে হচ্ছে। এজন্য সবাই এখন কালনা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

About Post Author