সময় কলকাতা ডেস্কঃ আজকের নেটের যুগে এসেও একটুও কমেনি মহিলাদের প্রতি নির্মম অত্যাচারের মাত্রা। আমাদের দেশে যেখানে ডিজিটাল ইন্ডিয়া গড়ার স্বপ্ন দেখছে গোটা ভারতবাসী সেখানে এখনও তালিবানি প্রথায় মহিলাদের ওপরে অত্যাচার অব্যাহত।
এই ভাইরাল ভিডিও তালিবানি শাসনের সেই ভয়াবহ অত্যাচারের স্মৃতিকে ফের একবার মনে করিয়ে দেবে। এটি আসামের ধেমাজির সিলাপাথার এলাকার একটি মর্মান্তিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। এই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে এক যুবতী রাস্তার মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসে আছে এবং তার দুই হাত মাথার পিছন দিকে রাখা আছে। এমন সময় হঠাৎ এক যুবক মেয়েটিকে পিছন দিক জোরে লাথি মারে। মেয়েটি রাস্তার উপর মুখ থুবড়ে পড়ে। তারপর সেই যুবকটি মেয়েটির চুলের মুঠি ধরে উঠিয়ে তাকে আবার বসিয়ে দেয়। একটু পরেই মেয়েটির পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক তার বন্দুক তাক করে ওই যুবতির মাথার পিছন দিকে গুলি করে। গুলি ছোড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপর যুবকটি মেয়েটির কাছে আসে এবং মেয়েটির মাথায় একের পর এক চারটি গুলি চালায়। এই ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে অনেক লোককে দেখা গেলেও পুরো ঘটনাটি তারা দর্শক হয়ে দেখেছেন। তেমনি ভিডিওতে এমন কয়েকজনকেও দেখা যায়, যারা মোবাইল ফোন থেকে পুরো ঘটনার ভিডিও করছে।

ঘটনায় নিহত মেয়েটির পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি, তবে ওই মেয়েটি সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলা হয়েছে যে মেয়েটি অরুণাচল প্রদেশের। আদি উপজাতি গ্রামের মহিলা। যারা তাকে হত্যা করেছে তারা লাম ডিং জেলার তিরাব চাংলাং থেকে আসা ভারতে নিষিদ্ধ এনএসসিএন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এখানে এটিও বলা হয়েছে যে এই দলটি উলফার অন্তর্গত। আসাম উগ্রপন্থী মিলিশিয়াদের সঙ্গে যুক্ত। ঘটনা সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় তথ্য দেওয়া হয়েছে যে,মেয়েটি তার স্বামীকে তালাক দিতে চেয়েছিল, পাশাপাশি সে তার স্বামীর কাছে ভরণপোষণও দাবি করছিল, যার জন্যই এই মর্মান্তিক শাস্তি পেতে হল তাকে। ভাইরাল এই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি সময় কলকাতা।


More Stories
চলে গেলেন মিঠু মুখার্জী
‘দিল্লি কা লাড্ডু’ খেয়ে গাছের মগডালে : আহমেদ আনসারীর আশ্চর্য কাহিনী
আসছে ভুতু আয়া ভাগো