সময় কলকাতা ডেস্ক: ফের করোনার থাবায় বিধ্বস্ত চিন। একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছেন সেই দেশের মানুষ। মৃত্যু মিছিল দেশ জুড়ে। এই অবস্থায় তথ্য গোপন করতে চাইছে শি জিনপিং সরকার।
সূত্রের খবর, বর্তমানে চিনে প্রতিদিন ২০০ বা তার বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এই মৃতদেহগুলি সৎকারের জন্য একটি বিশেষ বাহিনী তৈরি করেছে চিনা প্রশাসন। গত ৪-৫ দিন ধরে সর্বক্ষণ কাজ করে গিয়েছে সেই বাহিনী। অভিযোগ, মৃতদেহ লোপাটের কাজ করছে এই বাহিনী। প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখতে কাউকে শ্মশানের ধারে কাছেও ঘেঁষতে দিচ্ছেন না তাঁরা।গবেষকদের দাবি, অবিবেচকের মতো পদক্ষেপের কারণেই সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে চিনে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বন্ধ করে দিয়েছে জিনপিং সরকার। তাছাড়া উপসর্গহীনদের কোভিড আক্রান্তের তালিকায় জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে চিনের তৈরি ভ্যাকসিন কোভিড ঠেকাতে কোনও কাজই করছে না বলেও দাবি করেছেন গবেষকরা। যা কোনোমতেই মানতে নারাজ জিনপিং সরকার।

এর মধ্যেই ভারতে মিলেছে কোভিডের অতিসংক্রামক ভ্যারিয়্যান্ট BF.7-র হদিশ। এখনও পর্যন্ত তিন জনের শরীরে এই প্রজাতির করোনা পাওয়া গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, গত বছরের অক্টোবরে ওডিশায় এক ব্যক্তির দেহে করোনার BF.7 ভ্যারিয়্যান্টের হদিশ মিলেছিল। সেটাই ছিল এই ভ্যারিয়্যান্টের প্রথম আক্রান্তের হদিশ। পরে গুজরাটের ভদোদরায় আরও এক বৃদ্ধাও ভাইরাসের এই প্রজাতিতে আক্রান্ত হন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুজরাটে ফিরেছিলেন তিনি। তবে এই ভ্যারিয়্যান্টে আক্রান্ত দু’জনেই বর্তমানে করোনা মুক্ত বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।


More Stories
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার
মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ : মার্কিন -ইজরায়েল হানায় খামেনির আহত স্ত্রীর মৃত্যু
আয়াতুল্লাহ খামেনি কি নিহত?